কুমারেশ রায়, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২০ আগস্ট: পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা ভারতবর্ষের মানুষ যেমন জানেন তেমনি পাশ্চাত্য দেশের মানুষও জানেন কেমন ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি।
পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর চোখে চোখ রেখে কথা বলতেন। বিজেপির আশীর্বাদ যাত্রা এবং শহিদ সম্মান যাত্রা কর্মসূচিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুভাষ সরকার এই কথাগুলি বলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, প্রধানমন্ত্রীও চোখে চোখ রেখে কথা বলায় বিশ্বাস করেন। মন্ত্রী বলেন, যে যেমন আচরণ করতেন বিদ্যাসাগরও তার সাথে সেইরকম আচরণ করতেন, বিশেষ করে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের আধিকারিকদের সাথে বিদ্যাসাগরের সাহসী আচরণের কথা তুলে ধরেন তিনি। তাঁর জন্মস্থান বীরসিংহ গ্রাম পর্যটনস্থল হওয়া উচিত বলে মন্ত্রী মনে করেন। এর জন্য পরিকাঠামো ও উন্নয়ন প্রয়োজন বলে তিনি বলেন।
পর্যটন স্থান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মন্ত্রী চেষ্টা করবেন তবে তিনি রাজ্যকে খোঁচা দিয়ে বলেন, কেন্দ্র অর্থ দিল রাজ্যকে সহমত হতে হবে। এছাড়াও তিনি ঘাটালের মাস্টার প্ল্যান সম্বন্ধে বলতে গিয়ে বলেন, “আপনারা রাজ্যকে রাজি করান কেন্দ্রকে রাজি করানোর দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। দরকার হলে আইআইটি বা অন্য কোনও সংস্থার মাধ্যমে আমরা ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়িত করার পরিকল্পনা করব।”

শহিদ সম্মান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এইদিন ডঃ সুভাষ সরকার ঘাটাল শহরে বিভিন্ন মনীষিদের পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সম্মান জানান। এরপর তিনি পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান বীরসিংহ গ্রামে গিয়ে বিদ্যাসাগরের প্রতিলিপিতে মাল্যদান করেন এবং তার জন্ম ভূমি ঘুরে দেখেন। বীরসিংহ গ্রামে অনুষ্ঠিত হওয়া বিজেপির শহিদ সম্মান যাত্রা কর্মসূচির মঞ্চে রাধানগর বাঙালিতলা ১৬৩ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি শহিদ অজয় মান্ডির মাকে সম্মান জ্ঞাপন করেন। ছিলেন খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ, দুবরাজপুর বিধায়ক অনুপ সাহা, ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট, দলের রাজ্য সহ সভাপতি ভারতী ঘোষ সহ বিজেপির জেলা এবং স্থানীয় নেতৃত্ব।


