আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২০ মে: হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়দের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করল মেদিনীপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি কোভিড পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পথে নামলেন বিধায়িকা জুন মালিয়া ও কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
এখন লকডাউন চলায় সকালে বাজার খুলছে মাত্র তিন ঘন্টা। অন্য সব কিছুর মতো বন্ধ খাবার দোকানও। ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় মধ্যে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর আত্মীয়দের। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা খাবার পেলেও তাদের সঙ্গে আসা আত্মীয়স্বজনদের খাবার পেতে অসুবিধা হচ্ছে। তাদের জন্য এগিয়ে এসেছে মেদিনীপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেস। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে এখন প্রতিদিন রান্না করা খাবার বিলি করছে তারা। সঙ্গে থাকছেন মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া। তিনি নিজেও খাবার বিলি করছেন। তিনি জানিয়েছেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ জেলার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। এখানে রোগীর সংখ্যা বেশি। তাদের সঙ্গে যে সব লোকজন আসছেন তাদের যাতে খাবার পেতে কোনও রকম অসুবিধা না হয় তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেদিনীপুর এলাকায় করোনা আক্রান্তদের সাহায্য করার জন্য একটি হেল্পলাইন চালু করেন মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া।

শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বনাথ পান্ডব জানিয়েছেন, যত দিন লকডাউন থাকবে ততদিন রোগীর আত্মীয় স্বজনদের খাবার পরিবেশনের কাজ চালিয়ে যাব। বৃহস্পতিবার রোগীর আত্মীয় স্বজনরা
কোভিড স্বাস্থ্য বিধি মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন। তাদের ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম দেওয়া হয়েছে। যদি লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয় তাহলে কি করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্বনাথ পান্ডব। অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেদিনীপুর শহরের রাজাবাজার এলাকার ব্যবসায়ি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিলি করেছেন বিধায়ক জুন মালিয়া। শহরের পঞ্চুরচক গোলকুয়ার চক ও এলআইসি সহ একাধিক এলাকায় কোতোয়ালি থানার সহযোগিতায় মাইকিং করে করোনা সচেতনতার বার্তা দেন বিধায়িকা। উপস্থিত ছিলেন শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বনাথ পাণ্ডব সহ কোতোয়ালি থানার আইসি পার্থ সারথি পাল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অম্লান কুসুম ঘোষ।

