কিছু দিন বন্ধ থাক তীর্থযাত্রা-পর্যটন, নাহলে শীঘ্রই ভয়ানক রূপ নেবে তৃতীয় ঢেউ, সতর্ক করল আইএমএ

আমাদের ভারত, ১২ জুলাই:অতি মহামারীর মধ্যে দেশের কিছু প্রান্তের প্রশাসন আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগছে। অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষও ভাবছেন কোভিড পরাজিত হয়েছে। কিন্তু এই বিপদজনক মনোভাবকে সতর্ক করল ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন। কারণ অতিমারির তৃতীয় ঢেউ খুব তাড়াতাড়ি আসছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার গুলিকে সতর্ক করে আই এম এর বক্তব্য করোনার দ্বিতীয় যাওয়ার পথে, কিন্তু ইতিহাস বলছে তৃতীয় ঢেউ আসবেই। কিন্তু আতঙ্কের বিষয় এই অবস্থায় দেশের নানা প্রান্তে জমায়েত হচ্ছে। মানুষ কোভিডের বিধি মানছেন না। আর সেটাই তৃতীয় ঢেউতেও ভয়ানক চেহারা নেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আইএমএ বলছে পর্যটন, তীর্থযাত্রা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান সব কিছুরই প্রয়োজন আছে। কিন্তু তা কয়েক মাস বন্ধ থাকা উচিত। কারন মানুষ যদি ভ্যাকসিন ছাড়াই বড় জমায়েত করে তাহলে সেটা সুপার স্প্রেডারের ভূমিকা নেবে। কোভিডের তৃতীয় ঢেউ খুব দ্রুত শুরু হয়ে যাবে।

চিকিৎসকদের মতে গত দেড় বছরের অভিজ্ঞতা বলছে, দুটি উপায় কোভিডের তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। প্রথমত সবাইকে ভ্যাকসিন নিতে হবে। দ্বিতীয়তঃ সার্বিকভাবে কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। দেশের দৈনিক কোভিঢ সংক্রমণ এখন ৩৭ হাজারের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তবে দৈনিক সংক্রমণের হার কমলেও কয়েকটি রাজ্যে এখনও কোভিড পজিটিভিটি রেট চিন্তার কারণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেব বলছে রবিবার দৈনিক সংক্রমণের হার ধরা পড়ে ছিল ২.২৫%। কিন্তু মহারাষ্ট্র কেরল সহ ১৭ টি রাজ্যের ৬৬ টি জেলায় এখনো সংক্রমণের হার ১০% এর বেশি। সংক্রমণের হার বেশি হওয়া মানে একজন আক্রান্তের থেকে বেশি জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পরার সম্ভাবনাও বেশি।

পরিসংখ্যান বলছে দেশের ১৫টি রাজ্যের প্রায় ৯০ টি জেলা থেকে ৮০% সংক্রমণের খবর মিলেছে। মহারাষ্ট্র,কেরল, তামিলনাড়ু,ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ,কর্নাটকের বেশকিছু জেলা রয়েছে যেখানে সংক্রমণের মাত্রা বেশি। দেশের উত্তর ও দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *