আমাদের ভারত, ১৫ সেপ্টেম্বর: সুইগি, জোমাটো, ফুডপান্ডা থেকে খাবার আনানোর খরচ এবার সম্ভবত বাড়তে চলেছে। কারণ এই খাবার ডেলিভারি করা অনলাইন অ্যাপের উপর অন্তত ৫ শতাংশ জিএসটি লাগু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র।
করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে খাবার অর্ডার করার প্রবণতা আগের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু যারা এটা প্রায়শই করেন তাদের জন্য সম্ভবত এটা একটু দুঃসংবাদ বটেই। এবার থেকে সুইগি, জোমাটোর অ্যাপ নির্ভর ই-কমার্স অপারেটরের খাবার ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে জিএসটি। আগামী শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের একটি বৈঠকে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, কমিটির ফিটমেন্ট প্যানেল এই প্রস্তাব দিয়েছে, এই পরিষেবার উপরে অন্তত ৫ শতাংশ জিএসটি লাগু করা হোক। ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কমিটির প্রস্তাব গ্রাহকের বাড়িতে খাবার ডেলিভারি এবং ক্লাউড কিচেন থেকে এগুলি তোলা ইত্যাদি রেস্তোরাঁ পরিষেবার মধ্যেই ধরতে হবে এবং প্রয়োজনীয় জিএসটি লাগু করতে হবে। আগামী শুক্রবার লখনৌতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হবে। এর আগে ১২ জুন ওই বৈঠক হয়েছিল। বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ওই ভিডিও বৈঠকে কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রীর নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে।
করোনা পরিস্থিতিতে বৈঠক অনিয়মিত হয়েছিল। কিন্তু আবার শুক্রবার বৈঠক হতে চলেছে।
বৈঠকে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। দেশজুড়ে পেট্রো পণ্যের ওপর একই হারে কর লাগু করা যায় কিনা তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। কিছুদিন আগেই পেট্রোলিয়াম দপ্তরের প্রাক্তন মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দুজনে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এবার পেট্রোল ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনতে পারে কেন্দ্র। তবে এক্ষেত্রে জিএসটি কাউন্সিল বাধা হতে পারে কারণ জিএসটি কাউন্সিলে কেন্দ্রের সাথে রাজ্যগুলিরও প্রতিনিধিরা রয়েছেন। পেট্রোপণ্যকে পণ্য ও পরিষেবা করের আওতায় আনতে চাইলে রাজ্যগুলি বাধা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

