“পাকিস্তান বা বাংলাদেশ চলে যান,” কবীর সুমনকে তোপ নেটনাগরিকদের

“চরিত্র হীন, ধর্ম চ্যুত, কূলাঙ্গার সমাজের কলঙ্কই হইয়া থাকে, তাই সমাজ জীবনে ব্রাত্য হইয়া যায়।“
“দালালদের অবস্থা এমনই হওয়া উচিত।“

আমাদের ভারত, ১৮ অক্টোবর: ‘এখন আর আমাকে কেউ ডাকে না’। রাজ্য সরকার ২৫০০০/- টাকা পেনশন দেয়। ‘গানওয়ালা’ কবীর সুমনের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে তোপ দাগলেন নেটনাগরিকরা। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এক হাজারের ওপর মন্তব্য এসেছে। প্রতিটিতেই সমালোচিত হয়েছেন কবীর সুমন।

দেবু সরকার লিখেছেন, “দালালদের অবস্থা এমনই হওয়া উচিত।“ রাখালরাজ মুখার্জি লিখেছেন, “পাকিস্তান বা বাংলাদেশ চলে যান। একবারে জঙ্গি।” সমীর বোস লিখেছেন, “উনি তো রাজ্য সরকারী কর্মচারী নন। দীর্ঘকাল ধরে রাজ্য সরকারি চাকুরী করেও অনেকে ২৫০০০/- টাকা পেনশন পান না। উনি কি এমন করলেন যে মাস গেলে এত টাকা পেন্সন পাবেন। উনি না বললে আমরা জানতেও পারতাম না। এ ব্যাপারে ওনার সততা আছে এবং সেটা প্রশংসার যোগ্য। আর উনি তো এম পি পেন্সনও পান, সঙ্গে মুফতে চিকিৎসা আরও অন্যান্য সুবিধা। মনে হয় এই ২৫০০০/- টাকা অপচয়।”

অনিমিত্র চক্রবর্তী লিখেছেন, “এ কোন সরকারী কাজে লিপ্ত ছিল যে অবসরকালে পেনশন পাবে? টাকা কি ফোকটে আসে? আকাশছোঁয়া বাজারদরে এদিকে মরে যাই আমরা।” রবি দে লিখেছেন, “প্রচুর শ্রদ্ধার অধিকারি হতেন যদি শুধু গানটা নিয়েই থাকতেন। কিন্তু সুবিধাবাদী পাপিষ্ঠ বলে কেউ ডাকে না। আপনার মতো দশা অনেকেরই হবে। সময়ের অপেক্ষা।“

সুকুমার বিশ্বাস লিখেছেন, “চরিত্র হীন, ধর্ম চ্যুত, কূলাঙ্গার সমাজের কলঙ্কই হইয়া থাকে, তাই সমাজ জীবনে ব্রাত্য হইয়া যায়।“

সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী লিখেছেন, “আপনার গান শুনতাম ক্লাস ১০ এ। আর নিজেকে অনুপ্রাণিত করতাম। কিন্তু আজ বুঝি, আপনি একটা জালি মাল, শিরদাঁড়া হীন মানুষ ছিলেন। আপস করেছেন। আমার রক্তে কমিউনিজম, কর্মে আজ ভারত, আর ঘৃণা আগাছাতে।” সুদীপ্ত চ্যাটার্জি লিখেছেন, “এক জীবনেই সব হিসাব মিটিয়ে যেতে হয় ….’সে তুমি শ্রমিক কিম্বা তা ধিন ধিনা’ যেই হও…. !”

1 thoughts on ““পাকিস্তান বা বাংলাদেশ চলে যান,” কবীর সুমনকে তোপ নেটনাগরিকদের

Leave a Reply to Partha Sarathi Ghosh Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *