ব্যারাকপুরের সান্ধ্য সমিতি সাধারণ পাঠাগারে শুরু হল ই- লাইব্রেরি পরিষেবা

আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ৬ জুন: ব্যারাকপুর পৌর সভার অন্তর্গত ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বহু পুরনো লাইব্রেরী সান্ধ্য সমিতি সাধারণ পাঠাগারে শুরু হল ই- লাইব্রেরি পরিষেবা।

বর্তমানে সবার হাতেই রয়েছে স্মার্ট ফোন আর ছাত্র ছাত্রী থেকে বড়রা সকলেই এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেরে ফেলছেন সব কিছু। মোবাইলের দুনিয়ায় বই পড়ার আগ্রহ কমছে। লাইব্রেরীতে গিয়ে বই পড়া বা বাড়ি এনে বই পড়ার আগ্রহ নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের মধ্যে কম। এই অবস্থায় নতুন প্রজন্মকে লাইব্রেরী মুখী করতে অভিনব উদ্যোগ নিল ব্যারাকপুরের সান্ধ্য সমিতি। তারা চালু করলেন ডিজিটাল লাইব্রেরী। এই ই- লাইব্রেরীর মাধ্যমে সমাজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পড়াশোনার একটি দিগন্ত নিয়ে আসলো সন্ধ্যা সমিতি। আজ এই ই- স্টাডি রুম এবং ডিজিটাল লাইব্রেরীর উদ্বোধন করলেন রাজ্যের গ্রন্থ মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। এদিন মন্ত্রী বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য সংস্কৃতি হচ্ছে বই। ডিজিটালাইজেশন মানুষকে উন্নয়নমুখী করে তুলেছে ঠিকই কিন্তু বইয়ের কোনো বিকল্প হয় না। মানুষের যে জীবন ক্ষমতা সেটা বইই পূরণ করতে পারে। লাইব্রেরীতে আসার প্রয়োজনীয়তা আছে। এই পাঠাগার যে ভাবে কাজ করছে তাতে উপকৃত হবে এলাকার বাসিন্দারা।

এদিন মন্ত্রী রাজ্যপাল প্রসঙ্গে বলেন,”আমাদের রাজ্যের রাজ্যপাল অত্যন্ত অপদার্থ, কূটচাল সম্পন্ন একজন ব্যক্তি। উনি সকালে এক কথা বলেন বিকেলে আবার অন্য কথা বলেন। তিনি তো মিথ্যা কথা বলেন। ওনার মত রাজ্যপাল আগে আসেনি, আর মনে হয় না আগামীতেও আসবে। আমাদের রাজ্যের মানুষ অত্যন্ত ভদ্র তাই ওনাকে সহ্য করে আছে।” তবে এই ডিজিটাল লাইব্রেরীতে যথেষ্ট খুশি এলাকার বাসিন্দারা এবং এলাকার নতুন প্রজন্ম।

এদিন এই অনুষ্ঠানে গ্রন্থ মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুর পৌরসভার পৌর প্রধান উত্তম দাস, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের সমস্ত ওয়ার্ডের পৌর মাতা এবং পৌর পিতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *