আমাদের ভারত, হাওড়া, ২৭ মার্চ: বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া গ্রামীণ জেলার যেকটি আসনকে বিজেপি পাখির চোখ করেছে তার মধ্যে অন্যতম আমতা বিধানসভা। এবারের নির্বাচনে তৃণমূল গতবারের প্রার্থী তুষার শীলের পরিবর্তে সুকান্ত পালকে টিকিট দিলেও জোট এলাকার বিধায়ক অসিত মিত্রর উপর আস্থা রেখেছে। অন্যদিকে বিজেপি এই আসনে হিন্দু সংহতি নেতা দেবতনু ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করে বড় চমক দিয়েছে। আর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই বিধানসভার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চষে বেড়াচ্ছেন এই বিজেপি নেতা। কখনোও বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা, আবার কখনও যোগাযোগের অব্যবস্থার পাশাপাশি কুলিয়া সেতু নিয়ে টালবাহানাকে হাতিয়ার করে মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আদর্শবাদী দেশপ্রেমিক দেবতনু ভট্টাচার্য। আর সহজ সরল মানুষটাকে কাছে পেয়ে কেউ ফুল ছুড়ে তাকে বরণ করে নিচ্ছে, আবার কেউ মিষ্টি মুখ করিয়ে ঘরের ছেলেকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে। অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারে সাধারণ মানুষের এই আবেগ দেবতনু ভট্টাচার্যের প্রচারে নতুন অক্সিজেন যোগাচ্ছে।

হাওড়া জেলার বন্দরনগরী হিসেবে খ্যাত আমতা একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। বিধানসভার বেশীরভাগ মানুষ কৃষিজীবী হওয়ায় চাষের উপর তাদের নির্ভর করতে হয়। যদিও দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় বোরো চাষে জলের সমস্যা। আর এই সমস্যাকে হাতিয়ার করেই এবার নির্বাচনী ময়দানে ঝাঁপিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে বিধানসভার দীপাঞ্চল ভোটারের সাথে আমতার যোগাযোগের জন্য এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কুলিয়া ঢালাই সেতুর দাবিকেও প্রচারে ইস্যু করেছে বিজেপি। শুধু তাই নয় প্রচারে আমতার বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থার তীরে বিরোধীদের বিঁধছেন দেবতনু ভট্টাচার্য।

অন্যদিকে দেবতনু ভট্টাচার্যের মতে নির্বাচনে প্রচারে না বের হলে তৃণমূলের দাবি করা মিথ্যা উন্নয়ন দেখতে পেতাম না। সাধারণ মানুষের অন্তরের যন্ত্রণা শুনতে পেতাম না। তিনি দাবি করেন, এলাকার মানুষ এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চাইছে। আমি কথা দিয়েছি নির্বাচনে জয়ের পর আমার প্রথম কাজ হবে এই যন্ত্রণা দূর করা এবং আমি সেটাই করব।


