Shamik, BJP, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক ভাঙ্গা পরিকল্পিত চক্রান্ত, এবিভিপি-র আদর্শের সঙ্গে এই গর্হিত কাজ কখনো মিলতে পারে না: শমীক ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ২১ আগস্ট: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি কলেজে গন্ডগোল প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, এটা সম্পূর্ণ ভাবে একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। তাঁর আরো দাবি, এবিভিপি’র আদর্শের সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ভাঙ্গচুরের মতো গর্হিত কাজের কোনো মিল হতে পারে না। একই সঙ্গে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নে সমস্যার জন্য বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমন শানান বিজেপি নেতা।

পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি কলেজে গন্ডগোল ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নন্দলাল বসুর তৈরি ঐতিহাসিক লোগো বা প্রতীক ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, এটি সম্পূর্ণ একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। এবিভিপি বা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ সরাসরি বিজেপির কোনো ছাত্র সংগঠন নয়, বরং এটি একটি জাতীয়তাবাদী ছাত্র সংগঠন। তাঁর কথায়, এবিভিপির মূল লক্ষ্য ও আদর্শের সঙ্গে এই ধরনের গর্হিত কাজ, লোগো ভাঙ্গচুরের মতো ঘটনা কখনো মিলতে পারে না। এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেই তিনি ইঙ্গিত করেছেন।

একই সঙ্গে, যাদবপুরে সাম্প্রতিক ছাত্র সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে বিজেপির এক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সেই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, গেটের বাইরে বা সংলগ্ন এলাকায় কোনো গন্ডগোলের পরিস্থিতি তৈরি হলে একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি হিসেবে তাদের সেখানে উপস্থিত থাকার অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে। কোচবিহার হোক কিংবা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনো প্রান্ত, জন- প্রতিনিধিরা প্রয়োজনে যেতেই পারেন, বলে স্পষ্ট জানান তিনি।

অন্যদিকে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতির রূপায়ণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি অবশ্যই লাগু হবে এবং তা নিয়ে বিরোধীরা যে বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে তা কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে।

জাতীয় শিক্ষানীতি প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, বর্তমান সময়ের দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একমাত্র কাজ হলো প্রতি পদে কেবল বিরোধিতা করে যাওয়া। এ রাজ্যে ঠিক একই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর আরও দাবি, শিক্ষা নীতি নিয়ে অতীতে বহু বুদ্ধিজীবী, পণ্ডিত মানুষ নানা সমালোচনা করেছেন এবং এটিকে গৈরিকীকরণ বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষ এই সমস্ত বিতর্ক ও অপপ্রচারকে উপেক্ষা করেই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সরকারকে জায়গা করে দিয়েছে। তাই রাজ্যে এই নীতির রূপায়ণের ক্ষেত্রে আর নতুন করে বলার কিছু নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *