সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১৪ নভেম্বর: কালী পুজোর পরের রাতেই সোনামুখীর ৩ টি কালী মন্দিরে সিরিয়াল চুরির কিনারা করলো বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। পুলিশের জালে দুই দুষ্কৃতি ও চুরির মাল ক্রেতা এক দম্পতি। এই চুরির ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে পুলিশ।

কালী পুজোর পরের দিন রাতে সোনামুখী শহরের তিনটি কালী মন্দির থেকে প্রতিমার গয়না চুরির মতো দুঃসাহসিক ঘটনায় সমালোচনা মুখে পড়ে পুলিশ প্রশাসন। ঘটনার একমাস পূর্ণ হওয়ার আগেই চুরি যাওয়া গয়না উদ্ধার ও দুষ্কৃতিদের গ্ৰেপ্তার করে সাফল্যের নজির রাখলো পুলিশ প্রশাসন।
আজ সোমবার জেলা পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি এক সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির করেন দুই দুষ্কৃতী সহ চুরি যাওয়া গয়না কেনার অপরাধে যুক্ত আরও ২ জনকে। ধৃত দুই দুষ্কৃতির নাম অমিত পুজারী ও গণেশ বেদ ওরফে কানা। সেই সঙ্গে তাদের কাছে চুরির মাল কেনার সাথে জড়িত দম্পতি প্রদীপ মল্লিক ও চন্দনা মল্লিক। সকলের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা এলাকায়।

পুলিশ সুপার জানান, কালীপুজোর পরের রাতে সোনামুখীর ১৪ নং ওয়ার্ডের চৌধুরী কালী মন্দির, ১৫ নং ওয়ার্ডের চামুন্ডা কালী মন্দির ও ৯ নং ওয়ার্ডের সরকা কালী মন্দিরের তালা ভেঙ্গে মায়ের গায়ে থাকা সোনা ও রুপোর কয়েক লক্ষ টাকার গয়না চুরি যায়। এই ঘটনায় সোনামুখী থানা বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে অনুসন্ধান চালিয়ে সোমবার চন্দ্রকোনা রোড থেকে অমিত ও গণেশ ওরফে কানাকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই দম্পতির খোঁজ পায়। ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করে চুরি যাওয়া সমস্ত গয়না উদ্ধার হয় বলে জানান পুলিশ সুপার।

