আমাদের ভারত, ১৮ এপ্রিল: বিজেপি-র রাজ্য নেতৃত্বর সমালোচনা করে দলের জাতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার ফেসবুক মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। মুর্শিদাবাদের বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ, দলের রাজ্য কর্মসমিতির দুই সদস্য বাণী গাঙ্গুলী এবং দীপঙ্কর চক্রবর্তীর পদত্যাগপত্রের নমুনা দাখিল করে অনুপম রবিবার পোস্ট করার পাশাপাশি ভিডিও বিবৃতি দিয়েছেন।
সোমবার বেলা সওয়া ১২টায় তাঁর পোস্টে লাইক, মন্তব্য ও শেয়ারের সংখ্যা হয়েছে যথাক্রমে ৮৮৫, ২২৪ ও ৮০। এর পাশাপাশি পক্ষে-বিপক্ষে প্রচুর মন্তব্য এসেছে ভিডিও বিবৃতিরও।
‘আসল রহস্যটা কী’ শিরোনামে অনুপম লিখেছেন, “কেন এতগুলো ইস্তফা একসঙ্গে, সেটা রাজ্য বিজেপির খুব গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিশ্লেষণ করা উচিত! আমি যতদূর জানি গৌরীশংকরবাবু একজন ভালো সংগঠক! যাদের এতদিন গুরুত্ব দেওয়া হলো তারা সব দল ছেড়ে চলে গেছে, আর যারা এতদিন মাটি কামড়ে পড়ে ছিলো, তারা ইস্তফা দিচ্ছেন!
আর এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা আমার মতো, যারা বঙ্গ-বিজেপির অসময়ে, মানে যখন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ বিজেপিতে যোগ দিতে ভয় পেত অর্থাৎ বঙ্গ-বিজেপির সুসময়ে যোগ দেওয়া রাজিব-সব্যসাচী এবং কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মত জামাই আদর খাওয়া মানুষদের বিজেপিতে আসার অনেক আগে বিজেপিতে যোগদান করে, রাস্তায় নেমে যথেষ্ট পরিমাণে আন্দোলনও করেছিলো যখন অন্যদের মাঠে নেমে আন্দোলন করতে দেখা যেত না। তৃণমূলের কাছ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে পুলিশ কেসও খেয়েছে।
আর এখন প্রতিনিয়ত “দাদা মাঠে নামুন, আপনাদের আর আন্দোলনে দেখা যায় না কেন? শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতে লেকচার দিলে হবে ??” এই ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হন….কিন্তু তবুও রাজ্য বিজেপি থেকে দূরে, দিল্লিতে বা অন্য রাজ্যে পার্টির কাজ করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে ! আসল রহস্যটা কি?

