সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২২ এপ্রিল: শীতলকুচিতে বাহিনীর পর এবার বাগদায় চলল পুলিশের গুলি। ভোট চলাকালীন গুলি
চালানোর অভিযোগ উঠল
পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪
পরগনার বাগদা বিধানসভার ৩৫ নম্বর বুথে।ওই ঘটনায় ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে অভিযোগ।এক পুলিশ আধিকারিকও আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও গুলি-কাণ্ডে এখনও
পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া
দেয়নি প্রশাসন।
বাগদা বিধানসভার ৩৫ নম্বর বুথের বাসিন্দা মৃত্যুঞ্জয়
সাঁতরার দাবি, বাড়ি ফেরার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ
হয়েছেন। তিনি বলেন, “ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম
আচমকা হাতে গুলি লাগে। পুলিশ গুলি চালিয়েছে।কেন চালিয়েছে জানি না।ওখানে মারপিট হচ্ছিল কি না তাও জানি না।” মৃত্যুঞ্জেরস্ত্রী বলেন, “গন্ডগোল হচ্ছিল।সে সময় পুলিশ গুলি চালাচ্ছিল, সেই গুলি লেগেছে।”

বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের কথায়, তাদের
কার্যালয় ভেঙ্গে দেয় পুলিশ। আর তা নিয়ে উত্তেজনা
ছড়ায় এলাকায়। গেরুয়া শিবিরের দাবি, তার
প্রতিবাদ করাতেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। এরপরই পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই গুলিতে আহত হয় দুই বিজেপি কর্মী সহ এক পথ চলতি ব্যক্তি।
বাগদার বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাসের অভিযোগ, “পুলিশ আজ নিরপেক্ষ নয়। সকাল থেকেই শাসকের
ভূমিকা নিয়েছেন পুলিশ। পুলিশ সকাল থেকে
শাসক দলের পক্ষে ভোট করানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।যেখানে তৃণমূলকে পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে সাধারণ
মানুষের সঙ্গে পুলিশের
খণ্ডযুদ্ধ বাধছে। আমরা কমিশনে অভিযোগ জানাব।”
এবিষয়টি নিয়ে বাগদা থানার ওসি উৎপল সাহাকে ফোনকরা হলে তাঁর ফোন অন্য এক পুলিশ
কর্মী ধরেন। তিনি বলেন,”বড়বাবু এখন কথা বলার
মতো অবস্থায় নেই। উনি আহত।ওঁনার চিকিৎসা চলছে।” ঘটনার কথা জানতে ফোন
করা হয় বনগাঁ পুলিশ জেলার এসপি তরুণ হালদারকে।তিনিও ফোন ধরেননি।

