“তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ বেঁধে যাবে, ১২ হাজার অতিরিক্ত মনোনয়ন আগে সামলাক,” পরামর্শ দিলীপ ঘোষের

আমাদের ভারত, ১৮ জুন: তৃণমূল কংগ্রেসে অতিরিক্ত মনোনয়ন হয়েছে। সেইসব আগে তৃণমূল নেতৃত্ব সামলে নিক। নাহলে তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ বেঁধে যাবে। এভাবেই রাজ্যের শাসক দলকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

পঞ্চায়েত ভোটে নবজোয়ার মডেলে জেলায় জেলায় প্রচার চালাচ্ছেন তৃণমূলের নেতৃত্ব। এই বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষের সুরে বলেন, এখন ২০ তারিখ পর্যন্ত যে মনোনয়ন প্রত্যাহার চলছে আগে সেটা সামলান ওরা। ১০-১২ হাজার যে অতিরিক্ত মনোনয়ন হয়েছে কেউ নির্দল হয়ে কেউ তৃণমূল হয়ে, তারা যদি প্রত্যাহার না করেন তাহলে তো দলের মধ্যে গৃহযুদ্ধ বেঁধে যাবে। পরিস্থিতি সেই দিকেই যাচ্ছে।

তৃণমূলের স্পেশাল ৫০ জন নেতাকে পঞ্চায়েত ভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা সবটা দেখাশোনা করবেন। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাস্তবে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট করাবে। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। তাঁর কথায়,
“বাস্তবে সেই গুন্ডারাই ভোট করাবে, পার্টির কোনো উপস্থিতি নেই। তাদের টিকিট দেবে বোম বন্দুক নিয়ে ঝামেলা করবে, কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে গুন্ডারা ঠান্ডা হয়ে যাবে তাই তা আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের দিকে গেছে।”

ভাঙড়ে গণ্ডোগোল সামাল দিতে তৃণমূল নেত্রী সব্যসাচীকে সংগঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা বলেন, যারা রক্ষক তারাই ভক্ষক। তিনি প্রশ্ন তোলেন,গন্ডোগল থামাতে নাকি করতে এই দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী? তাঁর কথায়, “যে শওকত মোল্লাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি নিজে ক্যানিং থেকে, জীবনতলা থেকে লোক নিয়ে এসে অশান্তি করেছে। ধরা পড়ে তারা স্বীকার করেছে। যে গাড়িগুলো জ্বালানো হয়েছে সেগুলো ক্যানিং জীবনতলার গাড়ি। বোঝা যাচ্ছে কোথা থেকে লোক এসেছে আর কারা গন্ডগোল করেছে যারা রক্ষক তারাই ভক্ষক। তাহলে থামবে কি করে। ওনার পার্টি যাকে খুশি দায়িত্ব দিতেই পারে, কিন্তু সেটা গন্ডগোল থামাতে নাকি গন্ডগোল করতে? সরকারি পার্টি যদি লোক নিয়ে এসে গন্ডগোল করে, পুলিশ তাদের গায়ে হাত দিচ্ছে না, তাহলে গন্ডগোল থামবে কিভাবে?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *