আমাদের ভারত, হাওড়া, ১৪ মার্চ: উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে বিক্ষোভের পর এবার পাঁচলা ও উদয়নারায়ণপুরে বিজেপির প্রার্থী নিয়েও বিক্ষোভ। তবে তৃণমূলের থেকেও বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ একটু অন্যমাত্রা নেয়। এদিন উদয়নারায়ণপুরে প্রার্থী বদলের দাবিতে যখন রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা তখন ফুলেশ্বরের মনসাতলায় জেলা কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙ্গচুর চালায় একদল বিজেপি কর্মী সমর্থক।
রবিবার বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভার পাশাপাশি পাঁচলা ও উদয়নারায়ণপুরে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে। পাঁচলা বিধানসভা কেন্দ্রে মোহিত ঘাঁটি এবং উদয়নারায়ণপুরে সুমিত রঞ্জন কাড়ারের নাম ঘোষণার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। পাঁচলা কেন্দ্রে মোহিত ঘাঁটির পরিবর্তে অন্য প্রার্থীর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এমনকি একসময় শতাধিক বিজেপি কর্মী সমর্থক মনসাতলায় বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সদর কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙ্গচুর চালায়। বিজেপির কর্মীদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে যারা দলের হয়ে আন্দোলন করল তাদের মধ্যে থেকে প্রার্থী না করে মাসখানেক আগে তৃণমূল থেকে দলে যোগ দেওয়া মোহিত ঘাঁটিকে প্রার্থী করে দলের কর্মীদের অসন্মানিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, উদয়নারায়ণপুর কেন্দ্রে সুমিত রঞ্জন কাড়ার কে প্রার্থী করার পরেই খিলা এলাকায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বিধানসভা এলাকার দক্ষ সংগঠক ভোলা সামুই ছাড়া অন্য কাউকে প্রার্থী মানা হবেনা এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

এদিকে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সহ-সভাপতি রঞ্জন পাল জানান, কর্মীদের আবেগে ধাক্কা লাগায় তারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তবে এটাও ঠিক যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে কাজ করল আজ দল তাদের দাবিকে মান্যতা দিল না। আর সেই কারণেই এই পরিস্থিতি।

অন্যদিকে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙ্গচুর প্রসঙ্গে হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পুলক রায় বলেন, বিজেপির কর্মী সমর্থকরা কি ধরনের সংস্কৃতি বিশ্বাস করে এটা রাজ্যের মানুষ দেখছে।

