আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২৭ নভেম্বর: দূষণ মুক্ত জলপাইগুড়ি শহরের করলা নদীকে দূষণ মুক্ত করার উদ্যোগ। এব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে নদীতে মাছ ছাড়ল এক পরিবেশ প্রেমী সংগঠন। রবিবার পুরসভার চেয়ারম্যান পাপিয়া পালের উপস্থিতিতে করলা নদীর দোলনা সেতুর সামনে মাছ ছাড়া হল। পোনা মাছ ছাড়া হলে বড় মাছ খেয়ে নেবে এই কারণে বড় মাছ ছাড়া হয়।
জলপাইগুড়ি শহরের বুক চিরে বয়ে গিয়েছে করলা নদী। নদীর নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাসিন্দাদের একাংশ নদীতে নোংরা আবর্জনা ফেলছে। এছাড়া প্রতিদিন মাছ বাজার থেকে ফেলা হচ্ছে থার্মোকল। এ দিনের কর্মসূচিতে এসে শহরবাসীকে সচেতন হওয়ার বার্তা দিলেন পুরসভার চেয়ারম্যান পাপিয়া পাল। তিনি বলেন,”মাছ ছাড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের সকলের প্রিয় করলাকে বাঁচাতে এভাবে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু প্রায় দিনই অভিযোগ আসে সকালে প্রাতভ্রমণে বের হয়ে বাসিন্দাদের অনেকে করলা নদীতে নোংরা ফেলছেন। অন্যদিকে প্রতিদিন বাজারের থার্মোকল ফেলা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু পুরসভার একার পক্ষে করলা নদীকে দূষণ মুক্ত রাখা সম্ভব না। এই কারণে সকলকে সচেতন হতে হবে। অন্যদিকে করলা সেতু নতুন করে তৈরির সময় নিচে কিছু মাটি রয়েছে সেগুলো সরানো হয়নি। এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর ও সেচ দফতরের সঙ্গে কথা বলব।”

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক দীপাঞ্জন বক্সি বলেন, “আমরা ছিপ দিয়ে মাছ ধরতে ভালোবাসি। করলা নদী দুষণ মুক্ত রাখতে সারা বছর কাজ করছি। বিষ দিয়ে কিংবা বিদ্যুত দিয়ে মাছ ধরা ক্ষতিকর তা নিয়ে চলছে প্রচার। সেতু তৈরির সময় সেখানে প্রচুর মাটি দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো সরানো হয়নি এই কারণে সমস্যা হচ্ছে। চেয়ারম্যানকে তুলে ধরা হল।”

