“বাংলা শান্তি চায়, হিংসা চায় না”, ঝাড়গ্রামে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় বলেন সায়নী ঘোষ

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ৬ জুলাই: বুধবার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম জেলার ঝাড়গ্রাম শহরের ডিএম হলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। ওই প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।

এদিন সায়নী ঘোষ বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস হিংসা চায় না, তৃণমূল কংগ্রেস শান্তি ও উন্নয়ন চায়। তৃণমূল কংগ্রেস আছে এবং আগামী দিনেও থাকবে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম’কে চায় না, বাংলার মেয়েকে চায়। যারা বাংলার উন্নয়ন চায়নি, বাংলার ক্ষতি চায় তাদেরকে মানুষ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। তিনি তার ভাষণ ১৯৯৩ সালে তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সচিত্র পরিচয় পত্রের দাবিতে যে আন্দোলনে তৎকালীন বামফ্রন্টের পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে শহিদ করে দিয়েছিল সেই শহিদদের স্মরণে প্রতি বছর কলকাতার ধর্মতলায় একুশে জুলাই শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোনা পরিস্থিতির জন্য গত দু’বছর শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে কলকাতায় সমাবেশের আয়োজন করা হয়নি। এ বছর ঐতিহাসিক সমাবেশের ডাক দিয়েছেন দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই একুশে জুলাই সর্বস্তরের মানুষকে তিনি ধর্মতলার শহিদ স্মরণ সমাবেশে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, একুশে জুলাই মানে আবেগ, একুশে জুলাই মানে ভালোবাসা, একুশে জুলাই মানে দিশা একুশে জুলাই মনে আন্দোলন। তাই সর্বস্তরের মানুষকে তিনি একুশে জুলাই ধর্মতলার শহিদ স্মরণ সমাবেশে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান। রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা, তৃণমূল কংগ্রেসের ঝাড়গ্রাম জেলার সভাপতি বিধায়ক দেবনাথ হাঁসদা, গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডাঃ খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, নয়াগ্রামের বিধায়ক দুলাল মুর্মু, ঝাড়গ্রামের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সুরজিৎ হাঁসদা সহ আরো অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *