জঙ্গি কাজের ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা হচ্ছে বাংলাকে, মত প্রাক্তন সেনাকর্তা সব্যসাচী বাগচির

অশোক সেনগুপ্ত

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৩ জুলাই: কলকাতায় জঙ্গিদের ধরার পর চিন্তিত নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের অনেকে। তাঁরা চান, কেন্দ্র-রাজ্য উভয়ে এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত সতর্কতা নিক।

প্রাক্তন সেনাকর্তা সব্যসাচী বাগচি মঙ্গলবার এই প্রতিবেদককে বলেন, “ভারত থেকে পূর্ব ভারতকে কেটে ফেলার একটা চক্রান্ত অনেক দিন ধরে চলছে। এ ব্যাপারে ইসলামিক জেহাদিরা চিনের সহায়তা পাচ্ছে।“

১৯৬৩ থেকে ১৯৯০ সেনাবিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গার দায়িত্বে ছিলেন সব্যসাচীবাবু। তিনি বলেন, “স্বেচ্ছাবসর না নিয়ে পূর্ণ সময় কাজ করলে মেজর জেনারেল হতাম।“ তাঁর কথায়, “খাগড়াগড় কান্ডের সময় থেকেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভিত্তিক জেএমবি পশ্চিমবাংলায় কিভাবে জাল ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি মালদহের সীমান্তে চিনা নাগরিক হানকে গ্রেফতারের পরে প্রকাশ্যে এসেছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী বা নাশকতা গোষ্ঠী কীভাবে সক্রিয়। হোটেল পর্যন্ত লিজে নিয়ে নিচ্ছে। মানে, কতটা অর্থ পাচ্ছে এরা! এমনকি কিছুকাল আগে নিউটাউনে ‘সুখবৃষ্টি’ আবাসনে আত্মগোপনকারী দুই জঙ্গিকে ধরতে নিরাপত্তাকর্মীদের যেভাবে সংংঘর্ষে যেতে হল, তা রীতিমত চিন্তার।“

সব্যসাচীবাবু বলেন, “ভারত সরকারের তৎপরতায় কাশ্মীরে জঙ্গিদের প্রবেশদ্বার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। চিন তো ভারত-ভুটান সীমান্তে তৈরি গ্রাম ডোকলামের মাধ্যমে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। এখন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী স্থলদ্বার (ল্যান্ডগেট) খুঁজছে। কেবল সরকারকে নয়, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *