ব্যারাকপুর-রানাঘাট-লালগোলা স্পেশাল ট্রেনের সূচনা করলেন সাংসদ অর্জুন সিং ও জগন্নাথ সরকার

প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর, স্নেহাশিস মুখার্জি, রানাঘাট :
নতুন শক্তি সাশ্রয়কারী এবং অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য যুক্ত তিন ফেজ মেমু রেক-এর অন্তর্ভুক্তি উপলক্ষে ব্যারাকপুর-রানাঘাট-লালগোলা স্পেশাল ট্রেনের শুভ সূচনা করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং ও রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। মঙ্গলবার অত্যাধুনিক এই নতুন ট্রেনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অরুন আরোরা, শিয়ালদহের ডি আর এম এস পি সিং, শিয়ালদহের অতিরিক্ত ডি আর এম প্রয়দর্শী।

এদিন শিয়ালদহের ডিআরএম এস পি সিং বলেন, এই ধরনের মেমু ট্রেনের ফলে রেলের সাশ্রয় অনেক বাড়বে।
প্রতি কোচে বছরে রেল প্রায় ৭২ লাখ টাকা সাশ্রয় করতে পারবে। সেই সঙ্গে প্রতি কামরায় সিসিটিভি ক্যামেরা ছাড়াও কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী রয়েছে। সেই সঙ্গে মহিলাদের নিরাপত্তার দিকেও এই ট্রেনে বিশেষ সুবিধা যোগ করা হয়েছে। রেলের জবরদখল জমি উদ্ধার করে ব্যবসায়িক কেন্দ্র গড়ে তুলে বেকারী দূরীকরণ করা সম্ভব। সাংসদ জগন্নাথ সরকারের অভিযোগ, রেলের জমি দখল করে লুটেপুটে খাচ্ছে শাসক দলের লোকজন।

সম্প্রতি শিয়ালদা মেন লাইনের হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন,”প্রকৃত যারা রেলের হকার আছেন তাদের সাথে নিয়েই উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের সুবিধা করতে রেল এই শিয়ালদা মেন লাইনে উচ্ছেদের মত কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন রেল কর্তৃপক্ষ। রেলের জবরদখল জমি উদ্ধার করে ব্যবসায়িক কেন্দ্র গড়ে তুলে বেকারী দূরীকরণ করা সম্ভব।'” সাংসদ অর্জুন সিং অভিযোগ করে বলেন, “রেলের জমি দখল করে লুটেপুটে খাচ্ছে শাসক দলের লোকজন।

শিয়ালদা লাইনে কিছু অসাধু লোক ও শাসক দল ও অসাধু রেল কর্মী আছেন যারা রেলের জমি সমানে বিক্রি করার মত চক্রান্তে করে চলেছে। এই সমস্ত জমি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে যাচ্ছে যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন সাধারন মানুষ ও রেলের হকাররা। তাই এখন রেল মন্ত্রী ও রেল মন্ত্রক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যাতে জবর দখলকারী অসাধু ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের রেলের জমি থেকে সরানো সম্ভব হয়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *