পিন্টু কুন্ডু , বালুরঘাট, ৮ নভেম্বর: এনজিওর কাগজ দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার নামে বোল্লা কালী পুজোয় বলি প্রথা বন্ধ করা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা। মঙ্গলবার বালুরঘাটে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে এব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঠিক অর্ডার কপি টুইট করে জনসাধারণকে সচেতনতার বার্তাও দেন বালুরঘাটের সাংসদ। তিনি জানান, বোল্লা কালী পুজোয় বলি বন্ধ হবে না।
উত্তরবঙ্গের বহু প্রাচীন কালীপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বালুরঘাট ব্লকের বোল্লা গ্রামের বোল্লা কালী পুজো। রাস পুর্ণিমার পরের শুক্রবারে অনুষ্ঠিত এই বোল্লা পুজো ও মেলাকে ঘিরে ঢল নামে লক্ষ লক্ষ মানুষের। পুজোর দিন পাঁঠা বলির রীতি রয়েছে বোল্লা পুজোয়। যা বহু প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত হয়ে আসছে। কিন্তু কয়েকদিন আগে বোল্লা পূজায় এই বলি বন্ধ নিয়ে একটি এনজিওর কাগজকে হাতিয়ার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় বলে অভিযোগ। যার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন সাংবাদিকদের সামনে ঘটনার বিবৃতি দিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

ছবি: মা বোল্লা কালী।
তিনি জানিয়েছেন, ধর্মীয় বিষয়ে বলি চলতে পারে। সুনির্দিষ্ট দপ্তর তা চিঠি করেই জানিয়েছে।
সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, কিছু “অনুপ্রাণিত” সাংবাদিক জল ঘোলা করার চেষ্টা করছেন। তাঁর অভিযোগ, সেই সাংবাদিকরা নিজেদের ধর্মীয় বিষয়ে এমন নিয়ম মানেন না। এব্যাপারে পুলিশ অফিসারদেরও রেয়াত করেননি তিনি। সাংসদ বলেন, কিছু পুলিশ অফিসারও নিজেদের ধর্মীয় কারণে এ বিষয়ে বেশি অনুপ্রাণিত। তবে বোল্লা পুজোয় বলি প্রথা বন্ধ নিয়ে যে কাগজ দেখানো হচ্ছে সেই এনজিও কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা নয়। তারা বিষয়টি নিয়ে একটি আবেদন পাঠিয়েছেন মাত্র। যা নিয়েই সেই পুলিশ অফিসাররা চেষ্টা করেছিলেন বলি বন্ধ করার জন্য। কিন্তু তিনি খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার বোর্ড বলি বন্ধ নিয়ে কোনও চিঠিই করেননি। এদিন তার এমন বক্তব্যে যথেষ্টই আলোড়ন ফেলেছে বালুরঘাট সহ গোটা দক্ষিন দিনাজপুরে।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুজোর আগে বোল্লা কালীর বলি বন্ধ নিয়ে একটা মিথ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। যার সত্যটা তুলে ধরে কিছু মুখোশধারীর মুখোশ খুলে দিয়েছেন।

