আমাদের ভারত, ১ নভেম্বর: রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাইরে গিয়ে একেবারে অন্য ভূমিকায় ধরা দিলেন আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কেশরী হত্যা নাটকে বিজেপি সাংসদ আজ অভিনয় করলেন দেশের এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর চরিত্রে। মঞ্চে তাঁকে এই নয়া ভূমিকায় দেখতে উপস্থিত হলেন মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত, হাওড়ার শিবপুরের বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ, জহর সরকার সহ বিশিষ্টরা।

আজ রবীন্দ্রসদন মঞ্চে ঢোকার আগে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী দেখা গেছে সুকান্ত- বাবুকে। সাংবাদিকদের সামনে রাজনৈতিক কিছু প্রশ্নের উত্তরের পর যখনই নাটকের প্রসঙ্গ উঠে আসে, তিনি তখন বলেন, একটা প্রফেশনাল নাটক যেমন মঞ্চস্থ হয় তেমনই হচ্ছে কেশরী হত্যা। তাতে আমি অভিনয়ের একটা ছোট্ট সুযোগ পেয়েছি। অটল বিহারী বাজপায়ী-র চরিত্রে অভিনয় করার ছোট্ট সুযোগ পেয়েছি। আশা করি দর্শকের ভালো লাগবে।

কেশরী হত্যা নাটকটি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও তাঁর কাজের কিছুটা অংশকে নিয়ে লেখা। যে নাটকে অটল বিহারী বাজপেয়ী’র চরিত্রে অভিনয় করলেন সুকান্ত- বাবু। নাট্যদলটির প্রধান কৌশিক অধিকারী নিজেই শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। সুকান্ত মজুমদারকে তারা দু’মাস আগেই অনুরোধ করেছিলেন এই নাটকে অটল বিহারীর ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য।

ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও তাঁর রহস্যময় মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে রচিত এটি একটি ঐতিহাসিক গবেষণাধর্মী নাটক। “কেশরী হত্যা” নাটকটি পশ্চিমবঙ্গের নরেন্দ্রপুরের নাট্য দল রঙ্গ অপেরার প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হচ্ছে।

ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জীবনের সবচেয়ে বিতর্কিত রহস্যময় অধ্যায় কাশ্মীরে তাঁর কারাবাস, এবং সেখানে ১৯৫৩ সালে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু। কাশ্মীরের অনুচ্ছেদ ৩৭০- এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি গ্রেফতার হন। তাঁর এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ ছিলেন তাঁর অনুগামীরা। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে একটি রাজনৈতিক হত্যা হিসেবেই দেখা হয়।


