আমাদের ভারত, ১৬ নভেম্বর: অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের ৮ম ত্রিবার্ষিক অধিবেশন সম্প্রতি সম্পন্ন হলো বেঙ্গালুরুর জনসেবা বিদ্যা কেন্দ্রে। দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিম বঙ্গের তিন সংগঠন বঙ্গীয় নব উন্মেষ প্রাথমিক শিক্ষক সঙ্ঘের ৪৪ জন, বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সঙ্ঘের ৮৫ জন এবং জাতীয়তাবাদী অধ্যাপক ও গবেষক সঙ্ঘের ১৫ জন মিলে মোট ১৪৪ জন কার্যকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এই অধিবেশনের মূল বিষয় ছিলো স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে ইন্ডিয়া থেকে ভারতের পথে।
উল্লেখ্য, ১লা আগস্ট ২০২২ দেশজুড়ে মহাসঙ্ঘের উদ্যোগে ২ লক্ষ ১০ হাজার বিদ্যালয়ে ভারতমাতা পূজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্ষিক সাধারণ সভায় সঠিক জনসংখ্যা পরিকল্পনা নীতি, জাতীয় শিক্ষা নীতির সঠিক প্রায়োগিক পরিকল্পনা ও শিক্ষকদের ২১ দফা সমস্যা সমাধান বিষয়ে প্রস্তাব পাশ করা হয়েছে। তিনজন শিক্ষাবিদকে শিক্ষক সম্মান দেওয়া হয়।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সঙ্ঘের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপী প্রামাণিককে সারা দেশের সাধারণ যুগ্ম সহ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব অনুসার বৈঠকের সঞ্চালনের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়াও উনি সংবর্গ অনুসারে বৈঠকে মাধ্যমিক সংবর্গে বাংলার সমগ্র শিক্ষা মিশন, মিড ডে মিল, দুর্নীতি বিষয় তুলে ধরেন। মহিলা সংবর্গের বৈঠকে রাজ্য মহিলা প্রমুখ পূর্ণিমা রায় রাজ্যের শিক্ষিকাদের পেশাগত সমস্যা ও সুরক্ষার কথা তুলে ধরেন। প্রাথমিক শিক্ষক সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক কানুপ্রিয় দাস সম্পাদকদের করনীয় কাজের কথা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রীয় সংগঠন সম্পাদক, মহেন্দ্র কাপুর বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন আমাদের শক্তির পরিধি। তা সঠিক সময়ে সঠিক পরিকল্পনা মত প্রয়োগ করলে অনেক বড় কার্য্যক্রম সহজেই সফল হতে পারে। গুনমানসম্পন্ন এবং মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান সম্পদের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা ও শিক্ষকদের সমস্যা অবিলম্বে সমাধান করতে হবে।

