আমাদের ভারত, বীরভূম, ১৩ জানুয়ারি: রামমন্দির তৈরি এবং রামের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্যের প্রতিবাদ করলেন এক যুবক। শনিবার বীরভূমের রামপুরহাটে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই- এর প্রকাশ্য সভায় সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্পাদক ইপ্সিতা ধরের বক্তব্য চলাকালীন এনিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রতিবাদী যুবককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে শিক্ষা বাঁচাও, সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও দাবিতে ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের বীরভূম জেলা সম্মেলনের প্রকাশ্য সভা ছিল শনিবার। ওই প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য রাখছিলেন সংগঠনের সর্বভারতীয় নেত্রী ইপ্সিতা ধর। অভিযোগ, সভায় বক্তব্য রাখার সময় ঈপ্সিতা ধর রামমন্দির এবং হিন্দু ধর্ম নিয়ে একতরফা বিরুদ্ধাচারণ করেন। এরই প্রতিবাদ করে ওঠেন এক যুবক। এনিয়ে সভা চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ছাত্র সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা ওই যুবককে ধরে মারধর শুরু করেন। পরে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। ওই যুবকের স্কুটিতে ভাঙ্গচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ।
ধৃত যুবক অমিত মণ্ডল বলেন, “আমি স্কুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুনছিলাম। সেই সময় কিছু লোক আমার স্কুটির উপর বসে প্রায় ভেঙ্গে দিয়েছে। সে নিয়ে আমার মাথা গরম ছিলই। তার উপর মহিলা নেত্রীর হিন্দু বিরোধী বক্তব্য আমার মাথা আরও খারাপ করে দেয়। তাই উনাকে বলতে গিয়েছিলাম হিন্দু বিরোধিতা ছেড়ে অন্য কোনো বক্তব্য রাখুন। এতে আমার অপরাধ কোথায়”?
ইপ্সিতা ধর বলেন, “আমরা যেটা বলেছি সেটা সঠিক বলেছি। শুধু রামমন্দির নয়, শিক্ষা, কৃষকদের নিয়েও কথা বলেছি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী ভক্তরা শুধু রাম মন্দিরের কথা শুনতে পেয়েছেন। তাই উনাদের গায়ে জ্বালা ধরেছে। আমরা আরও বেশি করে সেই কথা বলব। তাতে কাদের গায়ে জ্বালা ধরল সেটা আমাদের দেখার কথা নয়”।

