পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ২৮ নভেম্বর: সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের প্রদ্যুৎ স্মৃতি সদনে স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে মেন্টাল হেলথের উপর একটি বিশেষ কর্মশালা আয়োজিত হল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক আয়েশা রানী, জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌম্য শঙ্কর সারেঙ্গী, মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগের প্রধান কাবেরী ভট্টাচার্য প্রমুখ। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা রুখতেই মূলত এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রতিবছর জেলায় ৬৫০ মানুষ আত্মহত্যা করে। এরমধ্যে স্কুল পড়ুয়ার সংখ্যাও নেহাত কম না। কিভাবে আত্মহত্যার প্রবণতার রোখা যায়, সে নিয়ে বিশদে এদিনের কর্মশালায় আলোচনা হয়। পড়ুয়াদের মন বুঝতে শিক্ষকদের বিশেষ ভূমিকা নেওয়ার বার্তা দেন জেলা শাসক। তিনি বলেন, কোনো ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ কিংবা অসংলগ্ন কথাবার্তা লক্ষ্য করলে তা যেন বিশেষ ভাবে দেখেন শিক্ষকরা। তার যুক্তি, করোনার পর থেকে পড়ুয়ারা একে অপরের সঙ্গে মেলামেশা অনেক কমিয়ে দিয়েছে। বন্দিদশা ঘুঁচলেও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে একাকীত্ব এখনো ঘোঁচেনি। তারা মনের কথা কাউকে খুলে বলছে না। একমাত্র শিক্ষকরা পড়ুয়াদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সময় কাটান। তাই তাদের মনের খোঁজ শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরই নিতে হবে।

