বিবাহিত এক মহিলা ও যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাতভর মারধর

জে মাহাতো, মেদিনীপুর, ২ জুলাই: পরকীয়ার অভিযোগ তুলে বিবাহিত এক মহিলা ও এক যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাতভর মারধর করার অভিযোগ উঠেছেl মোবাইল বন্দী সেই ছবি সমাজ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় জেলার সর্বত্র নিন্দার ঝড় উঠেছেl শুক্রবার রাতের বর্বরোচিত এই ঘটনায় আঁতকে উঠেছেন অনেকেই। শনিবার সকালে এই খবর পেয়েই পুলিশ গিয়ে ওই যুবক ও গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের মনোহরপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলদহ গ্রামে।

জানা যায়, কুলদহ গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পাশের গ্রাম মনোহরপুরের এক যুবকের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার রাতে গ্রামবাসীরা দু’জনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। তাদের পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বাঁশ, লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই ছবি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। শনিবার সকালে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্ষীরপাই গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়l ঘটনায় জড়িতরা এখনও কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় রীতিমতো নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলার এক সমাজকর্মী জানিয়েছেন, এ ঘটনা মধ্যযুগীয় বর্বরতা ছাড়া কিছুই নয়। প্রেম বা পরকীয়ার শাস্তি এরকম হতে পারেনা! অসামাজিক কোনো কিছুর প্রতিবাদ হতে পারে, পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য না নিয়ে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে এই ধরনের নির্যাতন চালানো ক্ষমার অযোগ্যল

জানা যায়, কুলদহ গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পাশের গ্রাম মনোহরপুরের এক যুবকের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার রাতে গ্রামবাসীরা দু’জনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। তাদের পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা  একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বাঁশ লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই ছবি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়।  শনিবার সকালে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্ষীরপাই গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় l ঘটনায় জড়িতরা এখনও কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় রীতিমতো নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলার এক সমাজকর্মী জানিয়েছেন, এ ঘটনা মধ্যযুগীয় বর্বরতা ছাড়া কিছুই নয়। প্রেম বা পরকীয়ার শাস্তি এরকম হতে পারেনা! অসামাজিক কোনো কিছুর প্রতিবাদ হতে পারে, পুলিশ-প্রশাসনের সাহায্য না নিয়ে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে এই ধরনের নির্যাতন চালানো ক্ষমার অযোগ্য l

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *