স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১৪ এপ্রিল: হাঁসখালির কিশোরীর গণধর্ষণকাণ্ডে তদন্তভার নিতে হাঁসখালী থানায় এসে পৌছল সিবিআইয়ের প্রতিনিধি দল। বুধবার রাত প্রায় বারোটা নাগাদ হাঁসখালী থানায় এসে পৌঁছয় তাঁরা।
নদিয়ার হাঁসখালিতে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়। প্রথমে জানা গিয়েছিল পঞ্চায়েত সদস্যর ছেলে ধর্ষণ করেছে কিন্তু পরে বাড়ি থেকে একটি চাদর উদ্ধার করে পুলিশ। সেই চাদরে একাধিক জনে বীর্যের নমুনা পাওয়া গেছে, এতে মনে করা হচ্ছে ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং তীব্র যন্ত্রণায় সেই রাতেই ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়। কিশোরীর পরিবারের দাবি প্রাণে মারার হুমকি দেখিয়ে তড়িঘড়ি শ্মশানে দাহ করে দেওয়া হয় ওই কিশোরীর মৃতদেহ। ঘটনার ৫ দিন পর হাঁসখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে কিশোরীর পরিবার। তদন্তে নেমে হাঁসখালি থানার পুলিশ মূল অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালীকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রভাকর পোদ্দার নামে তার এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ছবি: মূল অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালী।
গত পরশু অর্থাৎ মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। তারপরই গতকাল রাত প্রায় বারোটা নাগাদ সিবিআইয়ের তিনজনের প্রতিনিধিদল হাঁসখালী থানায় এসে পৌঁছায়। এফআইআর এর কপি নিজেদের কাছে নেওয়ার পাশাপাশি যে সমস্ত প্রাথমিক কাজ রয়েছে সে বিষয়ে দীর্ঘক্ষন কথা বলেন। সূত্রের খবর, আজ সিবিআইয়ের প্রতিনিধি দল ওই মৃত কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। এর পাশাপাশি যে শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়েছিল সেই শ্মশানে গিয়েও তদন্ত করবেন বলে জানা যায়।

