পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২২ মার্চ: পঞ্চায়েত ভোট দোরগোড়ায়। নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে প্রশাসনের এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরে। বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট। তার আগে এই রাজ্যের সবচেয়ে বড় নির্বাচন হচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই বঙ্গে প্রচলিত আছে যে পঞ্চায়েত যার দখলে বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে সেই দলের দখলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। তাই সাধারণ মানুষের কাছে রাজনৈতিক দলগুলোর গ্ৰহণযোগ্যতা কতটা আছে তার একটি অ্যাসিড টেস্ট এই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই মতো প্রচার শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।
প্রধানতঃ কেন্দ্রর শাসক দল বিজেপি এবং এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল দুই দলই প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে নিজেদের সরকারের জনমোহিনী প্রকল্পগুলো নিয়ে। শেষ বিধানসভার নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি ছিল দুয়ারে রেশন।
মাত্র নয় মাস আগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খাদ্য কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দুয়ারে রেশন প্রকল্পের কাজের তদারকি করছে খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মান্ডি। খাদ্য দফতরের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ব্লকে দুয়ারে রেশন প্রকল্পের ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মান্ডি। সেই সঙ্গে রেশন ডিস্ট্রিবিউটরদের গোডাউনও খতিয়ে দেখেন তিনি।
এদিন গোয়ালতোড়ের পিংবনী এলাকায় দুয়ারে রেশন শিবিরে গিয়ে তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামবাসীদের থেকে তিনি জানতে চান ডিলার সমস্ত কিছু ঠিকঠাক দিচ্ছে কিনা। যদিও গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। বরং গ্রামে এই ক্যাম্প হওয়ায় তাদের সুবিধাই হয়েছে। পাশাপাশি এপ্রিল মাস থেকে রমজান মাস চালু হওয়ায় সংখ্যালঘু
মানুষদের জন্য আলাদা করে ময়দা, ছোলা এবং চিনি দেওয়া হচ্ছে বাজার দর থেকে কম দামে রাজ্য সরকারের তরফে। যা আগামী দিনে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

