যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে জেলে জামাই আদার করা হচ্ছে, অভিযোগ বিজেপির

আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৩০ অক্টোবর: আদালত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে জলপাইগুড়ি দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি উপ পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে। জেলা বিজেপি অভিযোগ, অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে সৈকত হাসপাতালে রয়েছে। আর তাঁকে হাসপাতালের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে জামাই আদার করা হচ্ছে; এরজন্য দায়ী পুলিশ ও হাসপাতালের চিকিৎসক। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এরকমই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন বিজেপি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী।

এ দিন তিনি ডিবিসি রোডের জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ সহ অনেকে। ১ এপ্রিল জলপাইগুড়ি শহরের পাণ্ডা পাড়ার দম্পতি প্রাক্তন উপ পুরপ্রধান অর্পনা ভট্টাচার্য ও সুবোধ ভট্টাচার্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা সৈকত সহ তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সুইসাইড নোট বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। সৈকত ঘনিষ্ঠরা গ্রেফতারের পর জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। এদিকে সৈকতের জামিন হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্ট নাকচ করে দেয়।

এরপরের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জেলা আদালতে দ্বারস্থ হয় সৈকত। ১৮ অক্টোবর জেলা আদালতের বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সৈকত অসুস্থতায় কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ দিন বিজেপি জেলা সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “প্রথমদিন থেকে পুলিশ অভিযুক্ত সৈকত যাকে যুবরাজ বলা হয় তাঁকে সব রকম সুযোগ সুবিধে দিচ্ছে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত আইসির গাড়ির সামনে বসিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন অসুস্থতায় অজুহাত দেখিয়ে হাসপাতালের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে রেখে সব রকমের সুযোগ সুবিধে দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে পুজোর মিটিং করছেন। এই কারণে আমরা হাসপাতালের চিকিৎসক ও পুলিশকে পার্টি করে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *