কুমারেশ রায়, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৪ নভেম্বর: ৩০০ বছরের আগের ইতিহাস, তখন এই স্থান ছিল ডাকাতদের দখলে। তখন এই জঙ্গলের মধ্যেই ডাকাতদের দ্বারা মা পূজিত হতেন। তাই মাকে ডাকাতে কালী নামে ডাকা হয়ে থাকে।
শ্মশানের ওপর পঞ্চমূণ্ডের বেদীর ওপর মা আছেন। তাই এই মা অভিহিত হয়ে থাকেন শ্মশানে কালী নামে। মায়ের মন্দিরের ঠিক পিছনে রয়েছে শ্মশান। এই মা আবার পরিচিত ক্ষীরপাই এর ঘুঘু ডাঙার কালীমাতা নামে।

মন্দিরের পুরোহিতের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, প্রতি অমাবস্যায় মা কে অন্ন ভোগ নিবেদন করা হয়। মন্দিরের এক বিশেষত্ব হলো কালীপুজোর দিন রাত্রিতে মন্দিরে যে ছাগ বলি দেওয়া হয় সেই বলি দিয়ে থাকেন মন্দিরের পুরোহিত। মায়ের মাহাত্ম্য সম্পর্কে মন্দিরের পুরোহিত জানান, প্রত্যেক বছরই পুজোর দিনে সর্পরূপে মা দেখা দেন। তারপরই শুরু হয় মায়ের পুজো।

