অমরজিৎ দে, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ১৭ এপ্রিল: রহস্যজনক ভাবে গ্রামের পার্শ্ববর্তী ফাঁকা মাঠ থেকে উদ্ধার হল গোপীবল্লভপুরের ভাতভাঁঙ্গা এলাকার এক ধাই মাতার দেহ। পারিবারিক বিবাদের জেরে নিজের দেওরের হাতে খুন হয়েছেন ওই মহিলা দাবি মৃতের পরিবারের। ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে গোপীবল্লভপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
জানা গেছে, মৃত মহিলার নাম সুকুমারী দেহুরী, বয়স প্রায় ৪৫ বছর, বাড়ি গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের সারিয়া ৪ নম্বর অঞ্চলের পূর্ব ভাতভাঁঙ্গা গ্রামে। পেশায় ওই মহিলা একজন গ্রামীন ধাই মাতা। মৃতের ছেলে লক্ষ্মী দেহুরীর কথা অনুযায়ী জানা গেছে, সুকুমারীদেবী গতকাল অর্থাৎ শনিবার নিজের গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে নোড়িশোল হাটে ছেলের সঙ্গে বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হাটের শেষে ধাই মার কাজের কিছু পাওনা টাকা আদায়ের জন্য নিজে হাটে থেকে ছেলেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। কিন্তু রাত হলেও মহিলা আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন ভাবেন হয়তো ধাই মা’র কাজের প্রয়োজনে কোথাও রাতটা থেকে গেছেন। তবে পরের দিন মহিলার গ্রাম ভাতভাঁঙ্গার পাশাপাশি একটি বাগানের ধারে ফাঁকা জায়গায় উদ্ধার হয় মহিলার মৃতদেহ। পরে গোপীবল্লভপুর থানার খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় বলে জানা গেছে।

ঘটনায় গোপীবল্লভপুর থানায় সুকুমারী দেহুরীর মৃত্যুর জন্য নিজের কাকার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করেছেন মৃতের ছেলে লক্ষ্মী দেহুরী। তাঁর দাবি, কাকা আগে বেশ কয়েকবার প্রাণে মেরে দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছে কাকা। এদিন হাটেও সেই কাকাকে কুড়ুল হাতে ঘুরতে দেখা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে গোপীবল্লভপুর থানার পুলিশ।

