আমাদের ভারত, ২৫ জুলাই: পার্থ চট্টোপাধ্যায়’কে কি ভুবনেশ্বরেই জেরা করা হবে, নাকি চিকিৎসার পর আবার কলকাতায় ফিরিয়ে না হবে? আজ সকালেই তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভুবনেশ্বরের।
গ্রেফতারের পরই পার্থ চট্টোপাধ্যায়’কে এসএসকেএমএ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। কিন্তু ইডির অফিসাররা এসএসকেএম–এ চিকিৎসা করানোর ব্যাপারে আপত্তি জানান। তারা কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালত তাদের সেই আবেদন মঞ্জুর করে। সেই মত আজ সকালে তাঁকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। এজন্য গৌহাটি থেকে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসা হয়।
সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ তাঁকে এসএসকেএম থেকে বের করে দমদম বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল দশটা নাগাদ ভুবনেশ্বরে পৌঁছয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। এরপর পার্থ চট্টোপাধ্যায়’কে এইমস–এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করতেই তিনি বুকে হাত রেখে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তার বুকে সমস্যা হচ্ছে। এরপরই দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৪ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
এইমসে পৌঁছে বিক্ষোভের মুখে পড়েন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অনেকেই চিকিৎসা করাতে গিয়েছেন। তাদের আত্মীয়-স্বজনরাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়’কে দেখে স্লোগান দিতে থাকেন। এসএসকেএম এর উপরে ভরসা রাখতে না পারায় ইডি আধিকারিকরা তাঁকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে গিয়েছেন, এই প্রসঙ্গেই বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ, হাসপাতাল সব সরকারের হয়ে কাজ করছে। বাংলায় কোনও শাসন ব্যবস্থা নেই, সব দালাল।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক পরীক্ষার পর সেই রিপোর্ট আজ বিকেলের মধ্যেই আদালতে পেশ করতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়’কে যদি সুস্থতার সার্টিফিকেট দেওয়া হয়, তাহলে কি তাঁকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হবে? নাকি ভুবনেশ্বরেই জেরা করা হবে? সেক্ষেত্রে আদালতে শুনানির সময় তাঁকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই হাজির করানো হবে।

