“উসকানি কেন”? শীতলকুচি প্রসঙ্গে প্রশ্ন মিঠুনের

আমাদের ভারত, রায়না, ১১ এপ্রিল: কেউ কোনও উস্কানিতে কিংবা কারো প্ররোচনায় পা দেবেন না। কারণ যারা উস্কানি দেবে তারা তাদের কাজ মিটলে সেখান থেকে বাড়ি চলে যাবে। আর কোনও সন্তানের মা তার সন্তানকে হারিয়ে কাঁদতে থাকবে৷ রবিবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা করতে এসে এই বার্তা দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

এদিন মিঠুন চক্রবর্তীর জনসভা ঘিরে রায়না বিধানসভা এলাকাজুড়ে ছিল সাজো সাজো রব। সেই চেনা পরিচিত ভঙ্গিতে মিঠুন চক্রবর্তী স্টেজে উঠতেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন। তাদের উদ্দেশ্যে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আপনারা সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে চলে গিয়ে নিজের ভোট নিজে দিয়ে আসবেন। ভোট দিতে গিয়ে কাউকে ভয় পাবেন না। তিনি অভয় দিয়ে বলেন, জানবেন দাদা আছে পিছনে। আমি আমার সমস্ত শুটিং ক্যানসেল করে আজ গোটা বাংলাজুড়ে ছুটে বেড়াচ্ছি। আমি চাই আপনাদের মতো ছোট ছোট ভাই-বোনদের মুখে হাসি ফুটুক। আর আমি জানি আমার সেই চেষ্টা এবার সফল হবেই হবে। নতুন করে সোনার বাংলা গড়া হবে। আমরা এই সরকারকে ফেলবোই ফেলবো।

নির্বাচনী ইস্তেহারে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নতুন করে সরকার গড়লে মানুষের দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। সেই রেশন দেওয়াকে কটাক্ষ করে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আপনারা নিজেরাই রেশন দোকানে পৌঁছে যাবেন। লাইনে দাঁড়িয়ে নিজে রেশন তুলবেন। আর যদি সেখানে এক গ্রাম চাল কম হয়, সেখান থেকে আমাকে ফোন করবেন। এমএলএ ফাটাকেষ্ট হাজির হবে। অনেকের অনেক পাখনা গজিয়েছে। সেই পাখনা আমরা কাটবো। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি সারাদিনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা র‍্যালি করছি। কিন্তু প্রত্যেকদিন আমার কয়েকটা র‍্যালি বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাকে এভাবে আটকে রাখা যাবে না। আমাকে যত আটকাবে আমি ততো ভিতরে ঢুকবো।

শীতলকুচি প্রসঙ্গ তুলে ধরে মিঠুন চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন কেন উস্কানি দিয়ে চারজন মায়ের কোল খালি করা হল? এগুলো কেন হচ্ছে? সিংহাসনকে আগলে রাখার জন্য প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন তিনি। এরপরেই মিঠুন চক্রবর্তী জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, হাতজোড় করে ভাইবোনেদের বলছি এদের ফাঁদে পা দেবেন না। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে কোনও সন্ত্রাস থাকবে না, হিংসা ঝামেলা থাকবে না। সোনার বাংলা আমার গড়বো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *