হুগলি, চণ্ডীতলা, ৮ জুন: বৌ কার! এই দাবি নিয়ে প্রাক্তন ও বর্তমান স্বামীর মধ্যে ধুন্ধুমার বাঁধল গ্রামে। অশান্তি ও মারপিটে রক্তপাত এড়ানো যায়নি। গ্রামবাসীরা রুখে দাঁড়ানোয় প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই অভিযুক্ত কে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রথম পক্ষের স্বামী সুরজিৎ জড়কে ছেড়ে দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী দীপঙ্কর রক্ষিতকে নিয়ে সুখে সংসার করছিল চণ্ডীতলার আইয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চাননতলার বাসিন্দা সুতপা রক্ষিত। তাতেই গোঁসা হয় প্রথম পক্ষের স্বামীর। সোমবার রাতে দলবল নিয়ে সুরজিৎ ও তার জামাইবাবু নিতাই ঘোষ আচমকাই হামলা চালায় দীপঙ্করের বাড়িতে। ওই সময় দীপঙ্করের পরিবার বাধা দিলে তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। প্রাক্তন স্বামীর রোষের হাত থেকে রেহাই পায়নি সুতপাও। মারধরের ঘটনায় দীপঙ্কর সহ পাঁচজন প্রতিবেশী জখম হন।
ঘটনার খবর পেয়ে আশেপাশের বাসিন্দারা ছুটে এলে বাকিরা পালিয়ে গেলেও অভিযুক্ত সুরজিৎ ও তার জামাইবাবুকে পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা। এরপর দুজনের ভাগ্যে চড় থাপ্পর জোটে। চণ্ডীতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে।
আক্রান্ত বধূ সুতপার অভিযোগের ভিত্তিতে সুরজিৎ জড় ও নিতাই ঘোষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সুতপা পুলিশকে জানিয়েছে সিঙ্গুর থানার বারুইপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রথম পক্ষের স্বামী সুরজিতের সঙ্গে বিয়ে হয়। কিন্তু পারিবারিক অশান্তির কারণে সুরজিৎকে ছেড়ে দীপঙ্করকে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে চণ্ডীতলায় সংসার করছিল সুতপা। সেখানে গিয়েই দলবল নিয়ে হামলা চালায় সুরজিৎ।

