আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১৭ জুন: সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নাম না করে সবচেয়ে বড় তোলাবাজ বলে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরো বলেন, “রুজিরা নারুলা কে? তার পরিচয় প্রকাশ করা হোক”।
এদিন কাঁথির সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু বললেন, “প্রতিবার আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। কিন্তু আমি প্রতিবার প্রমাণ দিয়ে ব্যাঙ্কের চেক দেখাই। রুজিরার নামে ব্যাংককের রাজধানী থাইল্যান্ডের কার্শিয়ং শাখার চেক দেখাই। কিন্তু তবু আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হল, এটা নিয়ে আমি কখনো কোনো প্রতিবাদ করি না”।
একই সঙ্গে আগামী পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন দিতে বাধা দেওয়া হলে আগামী লোকসভা ভোটে ভুগতে হবে শাসক দলকে। গতবার পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের প্রার্থী দিতে দেয়নি তারা। তাই লোকসভা ভোটে ১৮ টা আসন পেয়েছিল বিজেপি। আগামী লোকসভা ভোটে এ রাজ্য থেকে ৩৬ টা আসনে জয়ী হবে বিজেপি”। একইসঙ্গে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে আনা স্বাধীকার ভঙ্গের অভিযোগ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর মন্তব্য, “আগে যারা বিরোধী দলনেতা ছিলেন তাদের সঙ্গে রাজ্য সরকার সেটিং করে চলত। সিপিএমের সূর্যকান্ত মিশ্র কিংবা আব্দুল মান্নান এই সেটিং করতেন। তবে এখন শাসক বুঝে গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী অন্যরকম বিরোধী দলনেতা। চোখে চোখ রেখে কথা বলতে জানে”।

ভারতবর্ষে প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের সেবা, সুশাসন, ও গরিব কল্যাণের ৮ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আজ বিকালে কাঁথির ভবতারিণী কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে পোস্ট অফিস মোড় হয়ে কাঁথি মেচেদা বাইপাস পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়। পদযাত্রা শেষে মেচেদা বাইপাসে এক পথ সভা হয়। এই পথ সভার মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী এই কথাগুলি বলেন।

