Sukanta, BJP, TMC, তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদেরকে দেওয়া ট্যাবের টাকা কোথা থেকে এলো? প্রশ্ন তুললেন সুকান্ত মজুমদার

আমাদের ভারত, ৬ জানুয়ারি: জেলা সফরে বেড়িয়ে বাঁকুড়ার তালডাংড়ায় মঙ্গলবার সভা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। আগের সভাগুলির মতো এই সভা থেকেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যেমন সরব হন তেমনি তৃণমূলের একাধিক দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের যে ট্যাব দিয়েছেন সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে?

তৃণমূল কংগ্রেস প্রচারে এবার অভিনব কায়দায় উন্নয়নের পাঁচালী শোনাচ্ছে রাজ্যের সব এলাকায়। আজ বক্তব্যের প্রথমেই তৃণমূলের সেই পাঁচালীকে কটাক্ষ করে বাঁকুড়ার তালডাংড়ায় তৃণমূলের দুর্নীতির পাঁচালী পড়া শুরু করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ওই এলাকায় বালি চুরির মতো একাধিক দুর্নীতিতে যুক্ত বলে যে তৃণমূল নেতাদের নামে অভিযোগ ওঠে তাদের নিয়ে পাঁচালী পড়েন সুকান্ত মজুমদার। স্থানীয় বিধায়ক ফল্গুনীবাবু, অরূপ চক্রবর্তী, শঙ্কু রায়, দিলীপ চ্যাটার্জি, বুম্বার মতো একাধিক স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে শিলাবতী নদীর বালি চুরির মতো দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছেন। এরপরই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ক্ষমতায় এলে “পাঁচালীকে পাঁচন করে দেবো”।

অন্যদিকে জনসভা করতে গিয়ে র‌্যাম্প করা মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিরকুট তুলে সমস্যা সমাধানের বিষয়টির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ক্ষমতা থাকলে যে ২৬ হাজার চাকরি প্রার্থী চাকরি হারিয়েছেন চিরকুটের মাধ্যমে চাকরি করে দিন।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের হিন্দু হত্যা তথা নির্যাতনের বিরুদ্ধে তৃণমূল, সিপিএম সরব হয়নি বলেও তোপ দাগেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এরপরই ডিজিটাল যোদ্ধাদের ট্যাব দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের প্রচারের জন্য ডিজিটাল যোদ্ধা তৈরি করেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির নামে মিথ্যা প্রচার করতে। আর তার জন্য ডিজিটাল যোদ্ধাদের একটা করে ট্যাব দেওয়া হয়েছে। এই ট্যাবের টাকা কোথা থেকে এলো? চাকরি বিক্রির টাকা দিয়ে কি ট্যাব দিচ্ছে তৃণমূল? ক্ষমতায় এলে এই সব কিছুর হিসেবে নেবে বিজেপি।

আবার গঙ্গা সাগরে গিয়ে রামকৃষ্ণ পরমহংসকে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ পরমহংস বলে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেও অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী বার বার ভুল বলেন না, এর আগেও তিনি হিন্দুদের কুম্ভকে মৃত্যু কুম্ভ, রেড রোড থেকে হিন্দু ধর্মকে গন্দা ধর্ম বলেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *