স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১৮ জুলাই:
যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার চাকদহে। চাকদহ পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগরের বাসিন্দা ২১ বছরের যুবক সৌরভ সাহা বিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। বাবা তারকনাথ পেশায় ভ্যানচালক। ওই এলাকারই একটি মেয়ের সাথে সৌরভের দীর্ঘ চার বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তারা বিবাহের জন্য মনস্থির করেছিল। অপেক্ষা ছিল শুধু সৌরভের একটি কাজের। তাদের মধ্যে নিয়মিত ফোন, ভিডিও কল, মেসেজ আদান প্রদান চলত।

গতকাল রাত সাড়ে আটটা নাগাদ সে পাড়ার ক্লাবে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে তাস খেলছিল। রাত দশটা নাগাদ বন্ধুরা চলে গেলে সে একাই ছিল ক্লাবে। এরপর বারোটা নাগাদ ক্লাব ঘরে আলো জ্বলছে দেখে এলাকাবাসীরা লক্ষ্য করে সে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে। এরপর খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তার মোবাইল থেকে, মেয়েটিকে মৃত্যুর আগে নানান ছবি পাঠায় ওই যুবক, এমনকি ভিডিও কল করে কথা বলে বলে দাবি করে সৌরভের পরিবার।
কিন্তু কি এমন হল যার জন্য আত্মহত্যার পথ বেছে নিল সৌরভ? মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে, পরিবারের দাবি তাকে মৃত্যুতে প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ করা হয়নি ওই পরিবারের পক্ষ থেকে।

তবে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর এবং মোবাইলের ছবি ও ভিডিও তথ্য থেকে আগামীতে মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে। এটা আত্যহত্যা নাকি অন্য কিছু? যদি তাই হয় তবে দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। অন্যদিকে ওই মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা পলাতক।

