আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৯ আগস্ট: সিসিটিভি-র বিরোধী যাদবপুরে পড়ুয়াদের একাংশ ’মুক্ত চিন্তা!’-র পক্ষে সওয়াল করায় মন্তব্য করলেন পুলিশকর্তা সুপ্রতীম সরকার-সহ অনেকে।
সুপ্রতীমবাবু ফেসবুকে লিখেছেন, “মুক্ত চিন্তা! মুক্ত ভাবনা! চিন্তা-ভাবনাই তো শিক্ষার আধার। ‘শিক্ষা’-র নমুনা তো দেখাই যাচ্ছে। প্রশিক্ষণ এক জিনিস, ‘শিক্ষা’ আরেক। দ্বিতীয়টা ওখানে হয় না। জেনে নেওয়া ভাল। মেনে নেওয়া ভাল।”
প্রতিক্রিয়ায় অরিন্দম দীঘল লিখেছেন, “১০১% সহমত আপনার সঙ্গে। একই সঙ্গে একটা ব্যাপার অবাক করছে, ওরা বলছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পুলিশ ঢুকতে পারবে না। তার মানে ওটা অন্য কোনও দেশ নাকি ? নাকি ওখানে অন্য শাসন ব্যবস্থা চলছে ? এরপর তো প্রকাশ্যে খুন করলেও ওরা বলবে পুলিশ ঢুকতে পারবে না!”
আরজে রয় লিখেছেন, “ওটা মনে হয় অন্য এক দেশ হয়ে গেছে। নিজস্ব আইন-কানুন, নিজস্ব নীতি-নিয়ম। অথচ সমাজ-সচেতনতার নামে যা যা হয়, মাঝে মাঝে কাগজে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়–তা কীসের সচেতনতা বাড়ায়, আর এই সচেতন মানুষরা তারপর সমাজের কতটা উন্নতি করে, সেই হিসেব মেলাতে পারি না।”
মহুয়া সাঁতরা লিখেছেন, “নিয়ম না মানার অন্যায়ের স্বপক্ষে কী সব ভুতুড়ে যুক্তি !! ভাবা যায় না।” অর্ঘদীপ আচার্য্য লিখেছেন, “একমত। যে মুক্তচিন্তা এই জঘন্য প্রথাকে প্রশ্রয় দেয় এবং বছরের পর বছর ধরে দিয়ে এসেছে, এমন মুক্ত চিন্তা জঞ্জাল ছাড়া আর কিছুই নয়।”
অরিজিতা দত্ত লিখেছেন, “সিসিটিভি বসানোর জন্যে নাকি ঐকমত্য দরকার ছাত্রদের। এবার থেকে রাস্তা / বাড়ি/ হোটেল বা অন্যত্র নজরদারির জন্য সিসিটিভি লাগানোর আগে চোর / ডাকাতের সঙ্গে ঐকমত্য হয়ে কাগজে লিখিত করে নিতে হবে দেখছি।”
জয়জিৎ বিশ্বাস লিখেছেন, “আসল শিক্ষা হলো মানুষ হওয়া যা এখন হয় না। পৃথিবীটা কেমন যেনো অমানুষিক হয়ে যাচ্ছে।“ অনির্বান চন্দ লিখেছেন, “রাজনৈতিক দাদাদের মুক্তাঙ্গনে ছাত্ররা দাবার বোড়ে। আশা করব আইনরক্ষকরা অন্তত একবার অন্য কারোর নির্দেশ পালন না করে নিরপেক্ষ ভাবে কিছু করে দেখাবে।”

