যুব মোর্চার সাংগঠনিক পদে মৌমিতার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক বিজেপির অন্দরে, উত্তর দিলেন সৌমিত্র

রাজেন রায়, কলকাতা, ২৯ জুলাই:
যুব মোর্চার সাংগঠনিক পদে দলেরই এক মহিলা কর্মীর নিয়োগ নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন সৌমিত্র খাঁ। বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির যুব সংগঠন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁর যার সঙ্গে এবার নাম জড়িয়েছে, তার নাম মৌমিতা সাহা। তিনি এখন যুব মোর্চার রাজ্য সম্পাদিকা।  

দিন তিনেক আগে মৌমিতা সাহা নামের এক মহিলাকে যুব মোর্চার রাজ্য সম্পাদিকা হিসাবে নিয়োগ করেন সৌমিত্র। তারপর থেকেই যুব মোর্চা তো বটেই রাজ্য বিজেপির অন্দরেও জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে মৌমিতাকে নিয়ে। পাশাপাশি বিরোধও দেখা দিয়েছে।
 
বুধবার মৌমিতাকে যুব মোর্চার অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করার নির্দেশ দেন সৌমিত্র। কিন্তু তারপরেই যুব মোর্চার কর্মীদের একাংশের আক্রমণের মুখে পড়েন তিনি। তীব্র আক্রমণের মুখে সৌমিত্র বিজেপির অফিস সেক্রেটারিকে নির্দেশ দেন যে তাঁকে যেন গ্রুপের অ্যাডমিন করা হয়। আর অ্যাডমিন হয়েই সৌমিত্র তিন জনকে গ্রুপ থেকে বার করে দেন। তাতেও আক্রমণ থামছে না দেখে গ্রুপে পোস্টিং রাইট তিনি এডমিনের জন্য সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন। বুধবার মাঝরাত পর্যন্ত এই ঝামেলা চলে। সদ্য সংগঠনে আসা, অভিজ্ঞতা নেই এরকম কাউকে সরাসরি রাজ্য সম্পাদক কেন করা হল তা নিয়ে ক্ষোভ যুব মোর্চার রাজ্য নেতাদের বড় অংশের মধ্যে।
এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে বিষ্ণুপুরের সাংসদ পালটা দাবি করেন, “এটা আনঅফিশিয়াল একটা গ্রুপ। যারা মিডিয়ার কাছে এসব পৌঁছে দিচ্ছে, তাঁদের ভূমিকা আসলে কী আমি জানি না। এতে বিতর্কের কোনও ব্যাপার নেই। সংবাদ মাধ্যমে সবসময় এই সব নিয়ে লেখালেখি থাকবেই। আমাদের অনেক গ্রুপ আছে। ওখানে অনেক সময় কেউ লেখে, কেউ লেখে না। এই নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানাতে হবে সব তার কোনও মানে নেই। ”
(গতকাল পরিবেশিত এই খবরটির কোনও সত্যতা নেই বলে সৌমিত্র খাঁ জানিয়েছে। এই খবর পরিবেশিত হওয়ার জন্য আমরা দুঃখিত।)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *