সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২৪ ফেব্রুয়ারি: আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়লেন উত্তর ২৪ পরগণার বাগদার বিধায়ক তৃণমূলের বনগাঁ জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। বৃহস্পতিবার ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে বেরিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাগদার গাড়াপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের নকফুল মাঠপাড়া এলাকায় তৃণমূলের জেলা সভাপতির গাড়ি থামিয়ে রাস্তা ও ঘরের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীদের কয়েক জন। বিশ্বজিৎ স্থানীয় বাসিন্দাদের ওই দাবি মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
গ্রামের তৃণমূল সমর্থকরা বিধায়ককে জানিয়েদিয়েছেন, ভোটের আগে রাস্তা ও ঘর যদি না পাই তবে এই এলাকার কেউ ভোট দেবেন না।

এদিন ‘দিদির দূত’ হয়ে বাগদার গাড়াপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতে গিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ। কিন্তু নকফুল মাঠপাড়া এলাকায় তার গাড়ি আটকে দেন ওই গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ। বিধায়কের গাড়ি থামতেই তারা উত্তেজিত স্বরে কথা বলতে থাকেন। রাস্তা জল, ঘরের দাবি জানান তারা। ওই জটলায় থাকা বিজলী কীর্তনিয়া নামে এক গ্রামবাসী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন ধরে তৃণমূল দল করেছেন, ততদিন ধরে আমি এবং এই গ্রামের মানুষ তাকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন। অথচ গত ১১ বছরে সরকারি কোনো সুযোগ সুবিধা পাইনি এই সরকার থেকে। এই এলাকায় কয়েক হাজার মানুষের এক মাত্র রাস্তা বেহাল। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ঘরের জন্য পঞ্চায়েতে হাঁটাহাটি করেছে, কেউ ঘর পায়নি। আমাদের দাবি পূরণ না হলে গ্রামের একজনও ভোট দেবেন না। গ্রামবাসীদের দাবি মেটানোর চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন বিশ্বজিৎ দাস, তিনি বলেন, রাস্তার বেহাল দশা দেখেই আমি ওই এলাকায় যাই। স্থানীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলে এক মাসের মধ্যে এই রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দেন।
বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার কটাক্ষ করে বলেন, ১১ বছরে যে কাজ হয়নি তা এক মাসের মধ্যে কি করে করবেন ? গ্রামের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে পিঠ বাঁচাচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা। এদিন তৃণমূলের সমর্থকরাই বিধায়কের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

