আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ২১ মার্চ:
উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে আমডাঙ্গার বিজেপি প্রার্থী জয়দেব মান্নার প্রচারে এসে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। সাংবাদিকদের বললেন, “২০১৮ সালে আমি তৃণমূল কংগ্রেস করতাম। সেই সময় পঞ্চায়েত ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ভোট লুটে নাও। আমরাই ভোট লুঠ করেছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে করেছিলাম। অন্যায় করেছিলাম দিদির কথায়। বিজেপিতে এসে পাপ মুক্ত হয়েছি, একথা আগেই বলেছি। এর আগে সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে মুকুল রায়ও ক্ষমা চেয়ে ছিলেন। আমরা ভুল করেছিলাম, বিজেপিতে ভোট লুঠের রাজনীতি হয় না।”

সম্প্রতি নিউ ব্যারাকপুরে কর্মিসভায় দমদম কেন্দ্রের সাংসদ
সৌগত রায় পঞ্চায়েতে ভোট লুঠের তত্ব তুলেছেন, তিনি বলেছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট আরো স্বচ্ছতার সঙ্গে হলে ভালো হতো। রবিবার বিজেপির দলীয় প্রচারে এসে গণমাধ্যমকে এই ভোট লুঠের তত্বকে নিজের জীবনের পাপ হিসেবে স্বীকার করে নিলেন অতীতের তৃণমূলের সামনের সারির নেতা তথা বর্তমানে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। বিজেপি সাংসদ হয়ে তিনি মানছেন, পঞ্চায়েতে ভোট লুঠ হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে।

অর্জুন সিং রবিবার আমডাঙ্গা বিধানসভার দত্তপুকুরে এসে তৃণমূলের ক্ষমতায় আসা নিয়ে আক্রমণ করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। বলেন, “উনি সুগারের সমস্যায় ভুল ভুগছেন, রাজ্যে বা জেলায় তৃণমূল কোথায় জিতবে পরের কথা, হাবড়াতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক নিজে হারবেন।” প্রসঙ্গত, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন, তৃণমূল ২২১টি আসন পাবে রাজ্যে। সেই প্রসঙ্গে অর্জুন সিং তৃণমূল কংগ্রেস ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কড়া সমালোচনা করেন। এদিন বিজেপি প্রার্থী জয়দেব মান্নার প্রচারে এসে অর্জুন সিং স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী রফিকার রহমানের জমি মাফিয়ার সাথে সংযোগের অভিযোগ তোলেন এবং দুর্নীতি প্রসঙ্গে তীব্র সমালোচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর “ভাইপো”কেও।

