আমাদের ভারত, ১৯ ডিসেম্বর: কেউ ছাড়া পাবে না। তিহারে বিহার করতেই হবে। দিল্লির রাউস এভিনিউ আদালত অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইডির আবেদনে সাড়া দেওয়ার রায় ঘোষণার পর এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তার দাবি কেউ পাপ করে ছাড়া পাবে না।
ইডির আর্জি মঞ্জুর করে দিল্লির আদালত জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজনে অনুব্রতকে দিল্লিতে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি। অর্থাৎ গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে এনে জেরা করার অনুমতি পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই বিষয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অনুব্রত মণ্ডল যে কাজ করেছেন তাতে তো তার তিহার যাওয়ারই কথা। কতদিন আর পয়সা খরচ করে আদালতের মাধ্যমে সবটা আটকে রাখবেন? তিহারে গিয়ে কিছুদিন বিহার করে আসুন। এতদিন তো লোককে চরাম চরাম গুড় বাতাসা অনেক কিছু খাইয়েছেন। এবার একটু তিহার জেলের জল হাওয়া খেয়ে আসবেন।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি, “পাপ বাপকেও ছাড়ে না। আমরা আগেও বলেছি যত বড়ই চোর হোক যত বড়ই ধেড়ে ইঁদুর হোক। কোনো ইঁদুরই বাঁচবে না, কোনো ইদুরই ছাড়া পাবে না। যারা এই অন্যায় কাজগুলো করেছে, কয়লা চুরির টাকা, গরুর টাকা, চাকরি টাকা চুরি করা সবাইকে জেলে যেতে হবে। তিহারে বিহার করতে হবে।”
অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতের কাছে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়েছিল ইডি। শনিবার দিল্লির রাউস। এভিনিউ আদালতে এই বিষয়ে শুনানি হলেও রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত। সোমবার রায় ঘোষণা করল আদালত। অনুব্রত মণ্ডল এখন আসানসোল জেলে। সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নির্দেশ এলেই অনুব্রতকে দিল্লির আদালতে তোলার ব্যবস্থা করা হবে।
ইতিমধ্যে অনুব্রতর দেহরক্ষী সেহেগল হোসেন, গরু পাচারের মূল অভিযুক্ত এনামুল হক, বিএসএফ কমান্ডেন্ট সতীশ কুমার দিল্লি তিহার জেলে রয়েছেন।

