মহা উৎসাহে চললো ভোটদান, ৮০ শতাংশের বেশি পড়ল ভোট, শালতোড়াতে সর্বোচ্চ ভোট, দ্বিতীয় খেজুরি

আমাদের ভারত, ২৭ মার্চ:
বেশ কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত ঝামেলা ছাড়া মোটেরউপর শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার নির্বাচন। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের ৩০টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হয়। এদিন সকাল সাতটা থেকে শুরু হয় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব। ৭৩ লক্ষের বেশি ভোটার এদিন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ১৯১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্র কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, পটাশপুর, ভগবানপুর, খেজুরি, এগরা ও রামনগর বিধানসভায় ভোট গ্রহণ করা হয়।

পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন, কেশিয়াড়ি, গড়বেতা, শালবনী, মেদিনীপুর ও খড়গপুর এই ছটি বিধানসভায় নির্বাচন হয় এদিন।

ঝাড়গ্রামের বিনপুর, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর ও ঝাড়্গ্রাম বিধানসভাতে চারটি শনিবার সকাল থেকেই চলে ভোটগ্রহণ পর্ব।

পুরুলিয়া জেলার ৯ টি বিধানসভা বাঘমুন্ডি, বলরামপুর, বান্দোয়ান, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা ও রঘুনাথপুরে সকাল থেকে ভোটারদের দীর্ঘলাইন চোখে পড়ে।

বাঁকুড়া জেলার বিধানসভা আসনের সংখ্যা ১২ টি আসনের মধ্যে শনিবার রায়পুর, রানিবাঁধ, ছাতনা ও শালতোড়া এই চারটি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফার নির্বাচনে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুরে ৮২.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ভোট পড়েছে ৮০.১৬ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ৮০.৫৫ শতাংশ, বাঁকুড়ায় ৮০.০৩ শতাংশ ও পুরুলিয়াতে ৭৭.১৩ শতাংশ ভোট পড়ে।

বিধানসভা কেন্দ্রের নিরিখে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সবথেকে বেশি ভোট পড়েছে বাঁকুড়ার শালতোড়া বিধানসভা কেন্দ্রে। ওই বিধানসভাতে ভোট পড়েছে ৮৫.২৫ শতাংশ পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে ভোট পড়েছে ৮৪.৪৩ শতাংশ কাঁথি দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৩.৭৬ শতাংশ, কাঁথি উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৩.১২ শতাংশ। গোপীবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮২.৭০ শতাংশ। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮১.১৪ শতাংশ ও পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮১.৩০ শতাংশ।

২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ৬ দফায়। সেই নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৭৯.৭ শতাংশ, দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে ভোট দানের হার ছিল ৭৯.৭ শতাংশ। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় ভোট পড়েছিল যথাক্রমে ৭৯.২২ ও ৭৮ শতাংশ। পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফায় ভোট দানের হার বেশ কিছুটা বেড়ে যায়। পঞ্চম দফায় ভোট পড়েছিল ৮১.৬৬ শতাংশ। ষষ্ঠ দফায় পড়েছিল সবচেয়ে বেশি ভোট ৮৪.২৪ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *