আমাদের ভারত, ১২ জানুয়ারি: স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে উত্তর কলকাতার শিমলা স্ট্রিটে আসেন রাজনৈতিক নেতৃত্বরা। সোমবার সকালেই সেখানে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। স্বামীজিকে সম্মান জানিয়েই তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে।
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারপরেই আক্রমণ শানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। কারণ বিকেলে সেখানে যাওয়ার কথা অভিষেকের, আর সেই কারণে তাকে স্বাগত জানাতে এলাকাজুড়ে পড়েছে পোস্টার, যেখানে লেখা আছে স্বাগতম যুবরাজ।
সেই পোস্টারকে হাতিয়ার করেই সুকান্ত মজুমদার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ পরিবারের অংশ বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, যুবরাজ আসবেন তিনি বাংলার রাজ পরিবারের অংশ। আমাদের তাতে কি করার আছে। আমরা প্রজা। আমি তো তাই আগে গিয়ে মালাটা দিলাম। স্বামীজি অন্তত একটা সৎ লোকের হাত থেকে আগে মালাটা পাক। না হলে এই চোরেরা মালা পরাবে যেটা দেখতে খুব খারাপ লাগে। কয়লা পাচার, গরু পাচারে নাম জড়িয়ে রয়েছে, এরা নাকি মালা পরাবে।
সুকান্ত মজুমদার আরো বলেন, এক সময় বিবেকানন্দ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- রাম মোহনের মত মানুষরা এই ভূমিতে বিচরণ করতেন। এখন ফাইল চোর, কয়লা চোরেরা এই ভূমিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারণ এখনকার পরিবেশটাই এমন।
তিনি আরো বলেন, বাংলার সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার এটাই উপযুক্ত সময়। আমাদের এই ভূমিকে বিবেকানন্দের ভূমিতে পরিণত করতে হবে। আমাদের উচিত বাংলাকে আবারও সাংস্কৃতিক বিপ্লব ও শিক্ষার বিপ্লবের কেন্দ্রতে পরিণত করার চেষ্টা করা এবং আজই সেই শুভ দিন, যেদিন আমাদের এই শপথ গ্রহণ করা উচিত। আর সেটা করার জন্য আমাদের সেই সব ব্যক্তিদের সরাতে হবে যারা এই সমস্ত কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। তাঁর কথায়, “আমি মনে করি পশ্চিমবঙ্গের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হলে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অপসারণ করা প্রয়োজন।”

