আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৬ নভেম্বর: অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ। ঘটনাটি
জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের মণ্ডলঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের সর্দার পাড়ার। কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ জানানোর পরেও মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ বলে অভিযোগ মৃত নাবালিকার পরিবারের। সোমবার থানায় এসে বিক্ষোভ ও ধর্নার সামিল হলেন গ্রামবাসীরা। যদিও পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয় অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। এরপরেই গ্রামবাসীরা আন্দোলন তুলে নেন।
১৬ অক্টোবর বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হয় ওই ছাত্রী বলে দাবি পরিবারের। এরপর বিকেলে বাড়ি এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এরপর পরিবারের লোকজন খোঁজ করে জানতে পারেন কুকুরজানের পারিয়া পাড়ার যুবক জাহাঙ্গির আলম দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিরক্ত করত বলে অভিযোগ। ১৬ অক্টোবর তাকে জোর করে তিস্তার পাড়ে নিয়ে যায়। এরপর বাড়ি গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই ছাত্রী। এই ঘটনায় জন্য দায়ী ছিল যুবক জাহাঙ্গির আলম।
ছাত্রীর বাবা বলেন,”আমার মেয়ের সঙ্গে কিছু একটা হয়েছে। এর জন্য মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশকে জানানোর পরেও কাজ হয়নি। উলটে হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্ত যুবক জাহাঙ্গীর। এই কারণে থানায় আসলাম।”
তৃণমূল শ্রমিক নেতা শুভঙ্কর মিশ্র বলেন, “পুলিশ জানায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে।
“আইসি অর্ঘ্য সরকার বলেন,”অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

