আশিস মণ্ডল, বীরভূম, ১৩ অক্টোবর: পুজো শেষ। কিন্তু তার আনন্দ এখনো মনের মধ্যে। আনন্দের সেই রেশ নিয়েই বৃহস্পতিবার স্বাধীন ট্রাস্টের উদ্যোগে তাদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে বোলপুরে স্বাধীন ক্যাম্পাসে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠিত হল।

এদিনের বিজয়া সম্মেলনী আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে আদিবাসী শিল্পীদের নাচে। যে নাচে উঠে আসে তাদের আনন্দের কথা। অনুষ্ঠান মঞ্চে আদিবাসী শিল্পীরা জানান, “কোনো উৎসবে গিয়ে অনুষ্ঠান করে চলে আসি কিন্তু তাতে অংশ নিতে পারি না। আমরা এখানে উৎসবে, অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। দুর্গাপুজোর সময় আমরা সিঁদুর খেলেছি, ঘট বিসর্জন, প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নিয়েছি। যা আগে কোনো দিনই হয়নি। আমরা খুব খুশি।” এই খুশি আর আনন্দের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সবার মনে।

সংস্থার সভাপতি মলয় পিট বলেন, “আমরা কথায় বলি, ধর্ম যার যার – উৎসব সবার। কিন্তু সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণি আমাদের উৎসবে অংশ নিতে পারেন না। এবার থেকে আমরা চেয়েছি তাদেরকেও আমাদের উৎসবে সরাসরি অংশীদার করতে। যাতে করে উৎসব প্রকৃতপক্ষে সর্বজনীন হয়ে ওঠে। আগামী দিনেও আমরা ধর্মীয় রীতি মেনে ঈদ ও বাদনা পরবকে যতটা সর্বজনীন করা সম্ভব আমরা সেটা করব।”

এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, যে আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শুরু হতে চলেছে শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এখানে সুলভে উন্নত মানের চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া সম্ভব হবে। স্বাধীন ক্যাম্পাসে এদিনের বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ গৌতম নারায়ণ সরকার, মেডিকেল কলেজের ডিন অধ্যাপক ডাঃ প্রতীপ কুমার কুন্ডু, শান্তিনিকেতন ডিজিটাল রিসার্চ সেন্টারের ডা: সুপ্তেন সর্বাধিকারী সহ অন্যান্যরা।

