সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৭ মার্চ: মাঝে মধ্যেই ছেলের দাদুর ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিত প্রেমিকাকে। সেখানে একাধিকবার সহবাস। অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পরে প্রেমিকা। এরপর বিয়ে করতে নারাজ প্রেমিক। প্রেমিকা অনেক কাকুতিমিনুতি করার পরও বিয়ে করতে রাজি হয়নি প্রেমিক। শেষমেশ প্রেমিককে ভিডিও কল করে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় প্রেমিকা। শেষ বারের মতো প্রেমিককে বলে যায় আমার মুখাগ্নি করবে তুমি। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার ছয়ঘড়িয়া ফুলতলা কলোনি এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম রিয়া দাস (২০)। সে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, সুরজ বিশ্বাস নামে এক যুবকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ভালোবাসার সম্পর্কে ছিল রিয়ার। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রিয়ার সঙ্গে একাধিকবার সহবাস করে অভিযুক্ত যুবক সুরাজ। এমনকি খেলার ছলে একা ঘরে সিঁদুরও পরিয়েছে ওই ছাত্রীকে। সম্প্রতি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী। এই খবর শুনে বিয়ে করতে অস্বীকার করে সুরজ। সে চিকিৎসকের কাছে যেতে বলে রিয়াকে। এরপর অভিমানী রিয়া গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

শনিবার কৃষ্ণনগর এলাকায় আত্মহত্যা করে ওই ছাত্রী। পরিবারের লোকেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে। পরে রবিবার রাতে সুরাজ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীর মৃতদেহ নিয়ে সুরজের বাড়ির সামনে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন রিয়ার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের দাবি, সুরাজকে দিয়েই মুখাগ্নি করাবো রিয়ার। যদিও সুরজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বনগাঁ থানার পুলিশ। মৃত ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

