হিন্দু-শিখরা আসুক, আফগান মুসলিম শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিরোধিতা করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

আমাদের ভারত, ২৪ আগস্ট: আফগানিস্তান থেকে আসা মুসলিম শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিরোধিতা করলো বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন মঙ্গলবার বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকরা যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে আসা শুধুমাত্র হিন্দু এবং শিখ শরণার্থীদেরই আশ্রয় দেওয়ার কাজ ও সাহায্য করবে। মুসলিমর শরণার্থীদের জন্য তাঁরা কাজ করতে অপারগ।” তাঁর মতে, ভারতের মতো অইসলামিক দেশ মুসলিম শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে রাজি নয়।

জৈন বলেন, “এটা খুব সাধারণ বিষয় যে গোটা আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে চলে যাওয়ার পর সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখদের পক্ষে আর সেখানে কোনোভাবেই টিকে থাকা সম্ভব নয়। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক ও কার্যকর্তারা আফগানিস্তানের সমস্ত সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে যোগাযোগ করছেন এবং তাদের সমস্ত রকমের সহযোগিতা করছেন। তবে আমরা আফগান মুসলিম শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিরোধিতা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “বেশ কিছু মুসলিম শরণার্থী, যেমন বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত।” তিনি মনে করেন, আফগানিস্তানের মুসলিমদের ভারতে আসার কোনো অধিকার নেই। ভারতে তাদের আসা উচিত নয়, কারণ একটি অইসলামিক দেশ তাদেরকে গ্রহণ করতে রাজি নয়। তারা দেখুক কে তাদের দায়িত্ব নেয়।

জৈন বলেন, “আমি বিশ্বাস করি না যে সমস্ত আফগানিস্তানের মুসলিমরাই হিন্দুদের উপর অত্যাচার করবে। কিন্তু এর আগে আফগানিস্থানে যখন সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন হয়েছিল তখন সেখানকার মুসলিম নেতারা চুপ করে সব দেখে হাততালি দিয়েছিল। ফলে আফগানিস্তানের সংখ্যালঘুদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তার জন্য একরকম সেখানকার মুসলিমরা দায়ি। একইসঙ্গে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, “যেসব ভারতীয়রা তালিবান কে সমর্থন করছেন এবং মুসলিমদের জন্য ভারতবর্ষকে যাদের দম বন্ধকর মনে হচ্ছে, তারা নির্দিধায় তালিবানদের স্মরণে চলে যেতে পারেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *