আমাদের ভারত, ১৮ আগস্ট:নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ বা ভোটাধিকার থাকা নিয়ে এক মহিলা সাংবাদিক কয়েকজন তালিবানিকে প্রশ্ন করলে তারা হাসতে শুরু করে। তাদের বলতে শোনা যায় এই প্রসঙ্গটা শুনে তারা নাকি তাদের হাসি চেপে রাখতেই পারছেন না। হ্যাঁ তালিবানদের এই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যপক ভাইরাল। আফগানিস্তান দখলের পর তালিবানরা বলেছে মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পড়াশোনায় তারা বাধা দেবে না। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভিডিও ভাইরাল হবার সাথে সাথেই প্রশ্ন উঠেছে সত্যি কি মেয়েদের প্রসঙ্গে তারা আফগানিস্তান দখলের পর যা বলেছে সেটা হবে?
Taliban collapses with laughter as journalist asks if they would be willing to accept democratic governance that voted in female politicians – and then tells camera to stop filming. “It made me laugh” he says.pic.twitter.com/km0s1Lkzx5
— David Patrikarakos (@dpatrikarakos) August 17, 2021
আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে চলে যাওয়ার পর বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কুড়ি বছর আগের তালিবান শাসনের ভয়াবহ স্মৃতি কেউ ভোলেনি। সেখানে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে আছে আফগান মহিলারা। তালিবান জঙ্গিরা ক্ষমতায় আসা মানেই মেয়েদের অন্তঃপুরবাসিনী হয়ে যেতে হবে। থাকবে না তাদের কোনো অধিকার।
আফগানিস্তান দখলের আগে তোলা এক মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে কয়েকজন তালিবানির একটি সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে এক মহিলা সাংবাদিক আফগানিস্তানের গণতন্ত্রে মহিলাদের অধিকার সম্পর্কে তালেবানিদের জিজ্ঞাসা করছেন। তালিবানিরা জবাব দেয় নারীর অধিকার ইসলামিক শরিয়াত আইন মেনে চলবে। এরপর সাংবাদিক যখন তালিবানদের জিজ্ঞাসা করেন তালিবানরা কি গণতান্ত্রিক শাসন গ্রহণ করবে এবং নারীদের ভোট দেওয়ার অনুমতি দেবে, ওই প্রশ্ন শুনেই তারা হেসে ফেলে শুটিং বন্ধ করতে বলে। ভিডিওটিতে একজন তালিবানিকে বলতে শোনা যায় এই প্রশ্ন তাকে হাসিয়েছে।
আফগানিস্তান দখলের পর তালিবানরা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত তারা মহিলাদের শিক্ষায় বাধা দেবে না। কিন্তু আফগানিস্তানের মানুষ বলেছেন তালিবানকে বিশ্বাস নেই। তারা এখন নারীদের প্রসঙ্গে ওরকম বললেও আসলে অন্যরকম করবে।

