আমাদের ভারত, ২৮ অক্টোবর: হাওড়া থেকে রাঁচি শতাব্দী ট্রেনের রুট ধরেই ছুটতে চলেছে দেশের সবচেয়ে গতিময় ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল অন্ডাল, কালিপাহাড়ি, পুরুলিয়ার আনাড়া দিয়ে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ছুটবে। কিন্তু পরবর্তী সময় লাভজনক রুটের কথা চিন্তা করে শতাব্দীর রুটে ট্রেনটি চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।
পূর্ব রেল সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে দুর্গাপুর, রানীগঞ্জ, আসানসোল, ধানবাদ চন্দ্রপুরা জংশন হয়ে রাঁচি যাবে এই সেলফ প্রপেলড ইঞ্জিনের ট্রেনটি। শতাব্দী রুটে ট্রেনটি চলাচল করলে তা লাভজনক হবে বলে মনে করেছে রেল। সকালে হাওড়া থেকে ছাড়বে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। আবার রাতেও হাওড়াতে ফিরবে এটি। ঘণ্টায় ১৯৯.৩ কিলোমিটার থেকে ২০৪.৫ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে এই ট্রেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত রেলের গতি বাধা থাকবে ১১০-১৩০ কিলোমিটারের মধ্যে।
হাওড়া থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত ট্রেন ছুটবে ১৩০ কিলোমিটার গতিতে। দুর্গাপুর থেকে ধানবাদ পর্যন্ত ছুটবে ৮০ কিলোমিটার গতিতে। সাধারণত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে একাধিক স্টপেজ থাকে না। তাই হাওড়া থেকে রাঁচি বন্দে ভারত ছুটলেও তা ক’টা স্টেশনে দাঁড়াবে বা কত মিনিটের গ্যাপে স্টপেজ হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
রেলের একাধিক সূত্রে খবর, হাওড়া–রাঁচি অত্যন্ত লাভজনক রুট। এখানে যাত্রী পাওয়া যাবে কারণ শিল্পাঞ্চলের একটা অংশকে যুক্ত করা যায় তাই এই রুটে। তবে টেকনিক্যাল বেশকিছু বিষয় জড়িত থাকে বিশেষ করে ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণ ও সিগন্যাল ব্যবস্থা দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেমি হাইস্পিড ট্রেনের জন্য। তবে প্রিমিয়াম ট্রেন হওয়ার জন্য ভাড়া একটু বেশি পড়বে।

