“পিসির করা উন্নয়নের প্রমাণ পেলেন ভাইপো,” কনভয় থামিয়ে অভিষেকের মারিশদা গ্রামে যাওয়ার ঘটনায় কটাক্ষ সুকান্ত’র

আমাদের ভারত, ৩ ডিসেম্বর: কাঁথির সভায় পৌঁছনোর আগে মাঝপথে আচমকাই কনভয় থামানোর নির্দেশ দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয় সড়কের ধারে মারিশদা গ্রামে নেমে যান তিনি। সোজা চলে যান গ্রামবাসীদের বাড়ির উঠোনে। তাঁকে দেখে ছুটে আসেন গ্রামের মহিলা-পুরুষ সকলেই। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে সামনে পেয়ে দিনের পর দিন তাদের প্রতি বঞ্চনা, ঝুড়ি ঝুড়ি না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দিতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। সংবাদ মাধ্যম থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও দেখে রাজ্যবাসীও। আর এই ঘটনাকেই চুড়ান্ত কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার। তার দাবি এবার ভাইপো সরাসরি পিসির করা উন্নয়নের প্রমাণ পেলেন।

অভিষেককে সামনে পেয়ে একের পর এক সমস্যার কথা বলতে থাকেন গ্রামের মানুষ। নিজেদের সঙ্গে করে ঘুরে দেখান তাঁদের ঘর-বাড়ির জরাজীর্ণ অবস্থা। মহিলারা অভিযোগ করেন, আমফানে ঘরের ছাদ উড়ে গেলেও পর্যাপ্ত টাকা তারা পাননি, ২-৩ হাজার টাকা পেয়েছেন তাঁরা। অনেকেই জানান, ঋণ নিয়ে বাড়ি তৈরি করতে হয়েছে তাঁদের। জলের সমস্যা সহ একাধিক না পাওয়ার কথা তুলে ধরেন তাঁরা।

১১ বছরে ১০০% কাজ হয়ে গেছে দাবি করা সরকারের বাস্তব চিত্র “আমরা কিছুই পাইনি”। আমম্ফানের ২০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাঠিয়েছিল কেন্দ্র সেটাও পায়নি গরীব মানুষগুলো। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব চিত্রটা একই রকম। পিসির করা উন্নয়নের প্রমাণ পেলেন ভাইপো।

*Dr. Sukanta Majumdar*, State President

এই ঘটনার ভিডিও পোস্ট করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কটাক্ষ করে লিখেছেন,
“১১ বছরে একশো শতাংশ কাজ হয়ে গেছে দাবি করা সরকারের বাস্তব চিত্র আমরা কিছুই পাইনি। কুড়ি হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাঠিয়েছিল কেন্দ্র, সেটাও পায়নি গরিব মানুষগুলো। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব চিত্রটা এইরকম। পিসির করা উন্নয়নের প্রমাণ পেলেন ভাইপো।”

যদিও অভিষেকের আচমকাই কনভয় থামিয়ে গ্রামের মানুষদের সাথে কথা বলাকে পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনসংযোগ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এই জনসংযোগে মানুষের কাছ থেকে শুধু ক্ষোভের কথাই শুনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *