স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর,
২৭ সেপ্টেম্বর: সম্প্রতি উৎকর্ষ বাংলার একটি অনুষ্ঠানে বিকল্প রোজগার হিসেবে দুর্গাপুজোয় ঠাকুর দেখতে বেড়িয়ে চপ-ঘুগনি-মুড়ি কিংবা চা-বিস্কুটের দোকান খোলার পরামর্শ দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। পাশাপাশি কাশফুলের বালিশ ও কচুরিপানার থালা বানিয়ে ক্ষুদ্র শিল্পের দিশাও দেখিয়েছিলেন।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই বেকারত্ব ইস্যুতে সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজনৈতিক মহলে। মুখ্যমন্ত্রীর ওই বক্তব্যকে টিকা টিপ্পনি করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অভিনব প্রতিবাদে নামতে দেখা যায় বিরোধীদের। এবারে সেই চিত্র দেখা গেল রায়গঞ্জে। মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে কাশফুলের বালিশ ও কচুরিপানার থালা বানিয়ে স্পিড পোষ্টের মাধ্যমে তা পাঠানো হল মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন যুব মোর্চার জেলা সভাপতি সাধন ঘোস। এদিন সংগঠনের কর্মীদের সাথে নিয়ে রায়গঞ্জ মুখ্য ডাকঘরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের ঠিকানায় এই সামগ্রীগুলি পাঠানো হয়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই শিল্পের জন্য মুখ্যমন্ত্রী কাছে অনুমোদন চেয়ে পরোক্ষ ভবে আক্রমন শানান সাধন বাবু।

অন্যদিকে, বিজেপির এই আন্দোলনকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি অনুপ কর। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃত করে এমন ঘটনা বাংলার রাজনৈতিক সৌজন্যতাকে ক্ষুন্ন করেছে। এমনটা চলতে থাকলে পাল্টা পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অনুপ বাবু।

