“শিক্ষারত্ন” পুরস্কার পাচ্ছেন নারায়ণগড়ের গোবিন্দপুর মকরামপুর স্বর্ণময়ী শাসমল শিক্ষা নিকেতন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মহান্তি

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৪ সেপ্টেম্বর: প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর বিদ্যালয়ের পরিকাঠামগত উন্নয়নের জন্য ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ মানের ব্যাটসম্যান হিসাবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত “মাস্টার ব্লাস্টার” শচীন টেন্ডুলকারের কাছ থেকে প্রায় ৭৬ লক্ষ টাকা অনুদান নিয়ে শচীন টেন্ডুলকারের নামে গড়ে তোলেন বিদ্যালয়ের নতুন ভবন। এছাড়াও তার উদ্যোগে আমূল পরিবর্তন এসেছে বিদ্যালয়ে।

এবার ৫ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ শিক্ষক দিবসের দিন সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে “শিক্ষারত্ন পুরস্কারে” পুরস্কৃত করতে চলেছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। তিনি হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় ব্লকের মকরামপুরের গোবিন্দপুর মকরামপুর স্বর্ণময়ী শাসমল শিক্ষা নিকেতন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মহান্তি। তাঁর এই কৃতিত্বে খুশি বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ ছাত্রছাত্রীরা।

বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকারা জানান, বরাবরই প্রচার বিমুখ এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তমবাবু। তবে তার প্রচেষ্টায় স্বাভাবিকভাবে আমূল পরিবর্তন এসেছে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত বিষয়ে। শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, তিনি বিদ্যালয়ে থাকা অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত রকম কার্যক্রম করে থাকেন। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার সাথে সাথে সহ পাঠ্যক্রমী বিষয়ে উৎসাহিত করেন। যার ফলস্বরূপ বর্তমান বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন স্থানের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়ে বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করেছে। ফলে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসাবে তাঁর এই পুরস্কার অনেক আগে প্রাপ্য ছিল বলে মনে করেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকারা।

শিক্ষক-শিক্ষিকারা এও জানান, রাজ্য সরকারের শিক্ষা দপ্তর এবারের যে শিক্ষারত্ন পুরস্কারের তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে উপযুক্ত যোগ্যদের বিবেচনা করা হয়েছে। এরজন্য তারা ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্য শিক্ষা দপ্তরকে। আর বিদ্যালয়ের এই প্রধান শিক্ষকের কৃতিত্বে খুশি সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ ছাত্রছাত্রীরা।

শিক্ষারত্ন পুরস্কার প্রাপক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মহান্তি জানান, “জেলা শিক্ষা দপ্তরের নির্বাচকমণ্ডলী তারা যে আমাকে যোগ্য মনে করেছেন এবং আমাকে নির্বাচন করেছেন এই শিক্ষারত্ন পুরস্কারে পুরস্কৃত করার জন্য আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ এবং আমি তাদেরকে ও রাজ্য শিক্ষা দপ্তরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি চাই বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন হোক, তার জন্য আমার যতটুকু করা প্রয়োজন আমি করে যাব”॥

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *